স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার কর্তৃক দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দাখিল করা হয়েছে। রোববার দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকার সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে ও দুজন স্টাফ রিপোর্টার পুলক রাজ ও আসাদ গণি’র (আসাদ মনি) স্বশরীরে হাজির হয়ে অপরাধ স্বীকার পূর্বক নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই সময়ে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়’এঁর মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিল করেন। পরে এর উপর শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানীতে অ্যাডভোকেট আইনুল ইসলাম বাবলু, অ্যাডভোকেট বিশ^জিৎ চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট সবিতা চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট বিপ্লব ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট আজাদুল ইসলাম রতন, অ্যাডভোকেট মির্জা আবু তাহের ও অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল অংশ নেন। শুনানী শেষে আদালত আগামী ১২ জুলাই নোটিশ গ্রহিতা দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকার সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে ও দুজন স্টাফ রিপোর্টার পুলক রাজ ও আসাদ গণি’র (আসাদ মনি) উপস্থিতিতে আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জুন ‘দৈনিক সুামগঞ্জের খবর’ পত্রিকায় ‘মামলার প্রধান আসামী শহিদুল ইসলাম স্বাধীন জামিন পেয়েছেন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে পত্রিকার ৩নং পাতায় উল্লেখ করা হয়, আসামী শহিদুল ইসলাম স্বাধীন রিমান্ডে পুলিশের কাছে নোয়াগাঁওয়ের হামলায় নিজের যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। প্রকৃতপক্ষে আসামী শহিদুল ইসলাম স্বাধীন কোন দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে নি। এই সংবাদ জনমনে বিভ্রান্তি সৃজনসহ বিচার বিভাগের সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে বলে সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে কেন contempt proceeding ড্র করা হবে না তন্মের্মে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ এই কারণ দর্শানোর আদেশ পাঠিয়েছিলেন।
বিজ্ঞ আদালত আদেশে, তিন কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে এই বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য।


