কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট পেয়ে আনন্দিত জগন্নাথপুরবাসী

জগন্নাথপুর অফিস
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের স্বদিচ্ছায় জগন্নাথপুর উপজেলায় দুটি বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নের খবরে উপজেলা জুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রকল্পের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। প্রকল্প দুটি হলো কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট।
পাগলা-জগন্নাথপুর আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের নারিকেলতলা হাওরে ২০ একর জমি অধিগ্রহণ করে দুই শত কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হবে। এ প্রকল্পের জন্য ১২টি নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষি শিক্ষকের পদ পূরণে ভূমিকা রাখবে।
অপরদিকে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটি মহাসড়কের কুবাজপুর মৌজায় বাস্তবায়িত হবে। দুই একর জমি অধিগ্রহণ করে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি বাস্তবায়িত হবে।এতে করে দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বৃহৎ দুটি প্রকল্প সিলেট বিভাগের মধ্যে শুধু জগন্নাথপুর উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে জগন্নাথপুর উপজেলাবাসী আনন্দিত। তাঁরা পরিকল্পনা মন্ত্রী কে অভিনন্দন জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উচ্ছ্বাস করছেন।
জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন বলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এম মান্নান এর মতো বিচক্ষণ জনপ্রতিনিধি পেয়ে আমরা নির্বাচিত এলাকার মানুষ হিসেবে গৌরবান্বিত। জগন্নাথপুরের উন্নয়নে তাঁর অবদান অমলিন হয়ে থাকবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, উন্নয়নের মহানায়ক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তাঁর স্বদিচ্ছায় জগন্নাথপুরে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট বাস্তবায়ন হওয়ার খবরে আমরা আনন্দিত। প্রকল্প দুটি উপজেলাবাসীর জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু বলেন, দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে রানীগঞ্জ সেতু বাস্তবায়নের পর আরও আড়াইশ কোটি টাকা ব্যায়ে দুটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করায় আমরা পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।
জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকমল হোসেন বলেন, পরিকল্পন মন্ত্রীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট হচ্ছে। এ দুটো প্রকল্প জনবল নিয়োগে জগন্নাথপুরের মানুষের বেকারত্ব ঘোচাতে ভূমিকা রাখবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রীর স্বদিচ্ছায় বৃহৎ এ দুটি প্রকল্প জগন্নাথপুরবাসীর জন্য সত্যিই আনন্দের। আমরা বিশ্বাস করি এসব জনকল্যাণমুখী উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি অমলিন হয়ে থাকবেন জগন্নাথপুরবাসীর হ্্যদয়ে।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, হাওর অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব আন্তরিক। তাই আমি সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে মানুষের জন্য এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছি। জগন্নাথপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কে কলেজে রূপান্তরিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।