জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব, ক্ষোভ

আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য ছিল। এ অবস্থায় অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জ্যেষ্ঠতাকে গুরুত্ব না দিয়ে জামাল উদ্দিন নামে এক শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর কবীরের বিরুদ্ধে।
বিদ্যালয়ে নয় শিক্ষকের মধ্যে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০২১ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জাহিদুল কামালের ক্রমিক নম্বর হচ্ছে ৫৩০৬। অন্যদিকে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের ক্রমিক নম্বর ৫৩৭৩। জাহিদুল কামাল চাকরিতে যোগদান করেন ২০০৯ সালের ১ মার্চ। অন্যদিকে জামাল উদ্দিন যোগদান করেন ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। এরপর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে এ বছরের ২৯ এপ্রিল তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনায়েত হোসেন রনি বলেন, শিক্ষক জামাল উদ্দিন যোগদানের পর ওইদিনই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর কবীর তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন। আর্থিক ক্ষমতার বিষয়ে তিনি ঢাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠালে ৩১ এপ্রিল ই-মেইল যোগে আর্থিক ক্ষমতার দায়িত্ব পান জামাল উদ্দিন।’
জামাল উদ্দিন বলেন, ‘সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জাহিদুল কামাল সরকারি গেজেট ও যোগদানে আমার থেকে সিনিয়র। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মহোদয় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, তাই আমি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’
মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, জাহিদুল কামাল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিতে ইচ্ছা পোষণ না করায় জামাল উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষক জাহিদুল কামাল জানান, জুনিয়রকে ভারপাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি বিব্রতবোধ করছেন।