বছর শেষে শিক্ষায় আশার আলো

সজীব দে
দেশে শিক্ষার হার ৭৫.২ শতাংশ হলেও হাওর অঞ্চলে এই হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশের বেশি নয়। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের গত বছরের তথ্য অনুযায়ী, হাওর অধ্যুষিত উপজেলাগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন শিক্ষার হার সুনামগঞ্জের শাল্লায়, মাত্র ২০ দশমিক ১০ শতাংশ। ৪০ দশমিক ৩০ শতাংশ শিক্ষার হার নিয়ে সর্বোচ্চ স্থানে আছে ধর্মপাশা। হাওর থাকা অন্য উপজেলাগুলোতেও শিক্ষার হার ২০ থেকে ৩০ শতাংশের বেশি নয়। ইউনিসেফের ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী জেলায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ৩৭ শতাংশ। করোনা মহামারিতে সেটি আরও বেড়েছে নিঃসন্দেহে। ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহামারির পুরোটা সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের অভিঘাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার সময়ে প্রাথমিকের ১৯ শতাংশ ও মাধ্যমিকের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনার এই সময়ে নিয়মিত পড়াশোনার একদম বাইরে ছিল। করোনা মহামারীকালে দেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো জরিপে দেখা গেছে, ৮৪ শতাংশের বেশি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তাঁদের ৪ ভাগের ৩ ভাগ শিক্ষার্থী পড়ালেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। বেসরকারী সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে এই চিত্র উঠে এসেছে।
করোনাভাইরাস সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন প্রভাব ফেলেছে আমাদের ওপর। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা খাতে বিপর্যয় এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। তবে চেষ্টা চলছে স্বাভাবিক করার। প্রতি বছরের ন্যায় ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ১৪৭৫ প্রাথমিক ও ৩৩৫ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয়। তবে ক্লাস না হওয়ায় অনেকে পাবজি, ফ্রি ফায়ারে আসক্ত হয়েছে। এর বিপরীত চিত্রও দেখিছি আমরা। ধান কাটা মৌসুমে লকডাউনে থাকায় বাইরের জেলা থেকে পর্যাপ্ত শ্রমিক আসতে পারেনি। সেই ক্রান্তিকালে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসেছিলো, কৃষকের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কেটেছে জমির ধান। অদম্য মেধাবী প্রণয়, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ সুনামগঞ্জে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু, ১৮ মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা, হাওরাঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়নে গ্রহণ করা ব্রিটিশ সরকারের প্রকল্প সহ করোনায় বিপর্যস্ত শিক্ষাবর্ষেও ছিল কিছু আশার খবর। অনেক হতাশার মাঝেও এরকম সাফল্যের সংবাদ চলতি শিক্ষাবর্ষে আশার আলো হয়ে এসেছিল, যা আগামী বছরে নতুন করে পথচলার অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে। সব মিলিয়ে করোনাভাইরাসের কারণে বহুল আলোচিত একটি বছর ছিলো ২০২১।
পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসএসিতে ফল
সংক্রমণের আশঙ্কায় পরীক্ষা ছাড়াই জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসএসিতে ফল ঘোষণা করা হয় ৩০ জানুয়ারি। জেলায় জিপিএ পায় ১৯৩ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮ জন শিক্ষার্থী। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২২ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালের থেকে জিপিএ ৫ বেড়েছে ৬.৮৯ শতাংশ।
শিক্ষার্থী অনিক ব্রহ্ম খুন
২৮ মার্চ সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র ব্রহ্মকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঐ দিন বিকাল সাড়ে ৪ টায় অজ্ঞাত হিসাবে ওই কিশোরের লাশ নির্মাণাধীন সুনামগঞ্জ কালেক্টরেট ভবনের নীচতলা থেকে উদ্ধার করে। পরদিন সকালে খবর পেয়ে নিহত কিশোরের পরিবারের লোকজন হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে।
স্বপ্নজয়ের পথে প্রণয় বর্মণ
৫ এপ্রিল প্রকাশিত হয় এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল। মেধা তালিকায় ৪৩৬ নম্বরে স্থান দখল করে স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায় প্রণয় বর্মণ। পাথর শ্রমিক মনি বর্মণ ও জেলে নারায়ণ চন্দ্র বর্মণ এর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় মেয়েটির বিয়ে দিয়েছেন। দু’জনের ঘাম ঝরানো শ্রমে জীবিকা চলে ৪ জনের সংসারের। চলে ছেলের পড়াশুনার খরচও। তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৫ পাওয়ার পর বাবা-মা প্রতিবেশিদের কাছ থেকে ধার দেনা করে প্রণয় কে সিলেট সরকারি কলেজে ভর্তি করান। ওখানে পড়াশুনার সময় সে টিউশনি করতে চেয়েছে, কিন্তু তার বাবা-মা তাকে টিউশনি করতে দেন নি। হাড় ভাঙা পরিশ্রম করে মাসে মাসে কিছু টাকা পাঠিয়েছেন। খুবই কম খরচ করে সিলেট শহরের মেজরটিলার একটি ম্যাচে থেকেছে প্রণয়। নিজের অবস্থার কথা জানায়, প্রাইভেট পড়ার সময় কলেজের কোন শিক্ষকই তার কাছ থেকে কোন টাকা নেন নি। এবার বাবা-মা’র স্বপ্নপূরণ করতে চায় প্রণয়।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ সুনামগঞ্জ
২৪ মে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ সুনামগঞ্জে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪৮ জন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হয়েছেন। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ডুংরিয়া গ্রামের নাঈমুর রহমান কে ভর্তির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। সদর উপজেলার কাঠইরে নির্মিতব্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ সুনামগঞ্জের একাডেমিক ভবনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নবনির্মিত দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। আপাতত দক্ষিণ সুনামগঞ্জের নবনির্মিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছয়টি চারতলা স্টাফ কোয়ার্টার ভবনকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আবাসিক ভবন এবং চারতলা হাসপাতাল ভবনকে একাডেমিক ভবন হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে। এই কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার বাসভবনকে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় স্বশরীরে ক্লাস।
বিতর্কে বিভাগের শীর্ষে
তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ছাতকের চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ১৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান তার কার্যালয়ে বিজয়ী বিতার্কিক দলের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, মেডেল ও সনদপত্র তুলে দেন। চলতি বছরের ২২ জুন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্যায়ে সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে পরাজিত করে চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দল বিজয়ী হয়। বিজয়ী বিতার্কিক দলের শিক্ষার্থীর হলেন মাহিয়া তাহসিন তানিশা (দলনেতা), আনিসা ইসলাম ও পুষ্পিতা দেবনাথ পৌষী।
মুখরিত শিক্ষাঙ্গন
১২ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যব্যাধি মেনে দীর্ঘ ১৮ মাস পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলে দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে আসা উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যনিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার দিকে সর্বোচ্চ নজর ছিল। শিক্ষার্থীরা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করেছে। থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হয়েছে। হ্যান্ডস্যানিটাইজার ব্যবহারের পর নির্ধারিত আসনে বসানো হয় শিক্ষার্থীদের। শ্রেণিকক্ষেও ছিল পারস্পরিক নিরাপদ দূরত্ব।
‘চন্দ্রফলক’ ও ‘সুনামফলক’
জেলার প্রধান দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসবকে স্মরণিয় করে রাখার জন্য ‘চন্দ্রফলক’ এবং ‘সুনামফলক’ নির্মিত হবে। ফলকের ডিজাইন তৈরি করছেন একুশে পদক প্রাপ্ত ভাস্কর হামিদুজ্জামান। ৩ সেপ্টেম্বর এজন্য তিনি দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এসময় প্রাথমিকভাবে তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সামনে ও সুনামগঞ্জ সরকারি সতীশ চন্দ্র (এসসি) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইট সংলগ্ন সীমানা প্রাচীরের পাশে ফলক নির্মাণের জায়গা নির্ধারন করেন। তিনি জানান, দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পাথরের ফলক নির্মাণ করা হবে।
ফেরৎ যাচ্ছে ছাত্রী নিবাসের টাকা
দুটি ছাত্রীনিবাস নির্মাণের জন্য প্রায় নয় কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের জন্য। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি একটি ছাত্রীনিবাসের জমি দিতে পারছে না। জমি না দেওয়ায় এক ছাত্রীনিবাসের টাকা ফেরৎ যাবে, অথচ. একই শহরের সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রাবাসের জন্য ধরণা দিয়েও পাচ্ছে না ছাত্রাবাস। এই অবস্থায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের বরাদ্দ সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস করার জন্য দেবার দাবি উঠেছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের জন্য পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় দুই বছর আগে দুটি ছাত্রীনিবাস এবং ১০ তলা একাডেমিক ভবনের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ মূল ক্যাম্পাসে ১০ তলা ভবন এবং বর্ধিত ক্যাম্পাসে (পুরাতন কারাগারে) একটি ছাত্রীনিবাস করার জমি দিয়েছে। এই অবস্থায় একটি ছাত্রীনিবাসের প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা ফেরৎ যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
রাতে অরক্ষিত ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়
দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী না থাকায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৫০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রায় প্রতিবছরই এসব বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটছে। মূল্যবান শিক্ষা সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। গত ১৩ নভেম্বর সুনামগঞ্জ শহরতলির কোরবাননগর ইউনিয়নের ধারারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দরজা ভেঙে বিদ্যালয়ের প্রজেক্টারসহ শিক্ষা সামগ্রী চুরি হয়। ২৪ আগস্ট সুনামগঞ্জ শহর বালিকা বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ৩২ টি চেয়ার এবং সিসি ক্যামেরার রেকর্ডার চোরেরা নিয়ে যায়। নৈশ প্রহরী নেই এমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে। দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী না থাকায় বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও ঠিকভাবে হয় না। সদর উপজেলায় জাতীয়করণকৃত ৪১ টি, ১৫০০ শ’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় হওয়া ৯টি বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নেই।
নয় মাস পিছিয়ে শুরু এসএসসি পরীক্ষা
করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার যথাসময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। নয় মাস পিছিয়ে এবার পরীক্ষা শুরু হয় ১৪ নভেম্বর। জেলার ৫২টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসে ২৯ হাজার ৮৪২ জন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই প্রকাশিত হবে এবারের পরীক্ষার ফলাফল।
টিকার আওতায় শিক্ষার্থীরা
২০ নভেম্বর শুরু হয় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম। ১২ উপজেলার ১৩ হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়। এদিকে ১৪ ডিসেম্বর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার এক লাথ ৩০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। ২ ডিসেম্বর শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।