স্টাফ রিপোর্টার
অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৫তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে। ‘এমন বিশ্ব গড়ি, অটিজম বৈশিষ্টসম্পন্ন ব্যক্তির প্রতিভা বিকশিত করি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
শনিবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র—সুনামগঞ্জ এর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা শেষে সুনামগঞ্জ অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান এবং প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।
জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক সুচিত্রা রায়’র সভাপতিত্বে ও জেলা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট (ফিজিওথেরাপি) ডাঃ মো. তানজিল হক’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
গভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার—উল— হালিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন, সুনামগঞ্জ অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রতিবন্ধী বিষয়ক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
এক সময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এ সম্পর্কে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র কন্যা ও স্কুল সাইকোলজিস্ট সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিরলস প্রচেষ্টায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ২০০৭ সালে এ বিষয়ে দেশে কাজ শুরু করেন। সায়মা ওয়াজেদ এ অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে তার বিরাট অবদানের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি পেয়েছেন।


