জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
জামালগঞ্জে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির আয়োজনে ফসল রক্ষা বাঁধ ও ধান কর্তনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি বিশ্বজিত দেব হাওরের সর্বশেষ পরিস্থিতি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, এ বছর জামালগঞ্জে ৬টি হাওরের ২৪ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ হাজার ৩২৫ হেক্টর ধান কর্তন করা হয়েছে। যার হার ৭১ শতাংশ। গত ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টায় হালির হাওরের আছানপুর গ্রামসংলগ্ন ১৭ নম্বর পিআইসির চেইনেজ সুরঙ্গ হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বাঁধ ভেঙ্গে যায়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন চেষ্টা করলেও বাঁধটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আগ পর্যন্ত হালি হাওরে মোট ৬ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমির মধ্যে ৫ হাজার ১১৩ হেক্টর জমির ধান কর্তন করা হয়েছে। যার হার আনুমানিক ৭৮ শতাংশ। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হালি হাওরের আশপাশের গ্রামের ৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর কর্তন করা হয়েছে। যার হার ৯৮.৩৩ ভাগ। অবশিষ্ট ৫টি হাওরের ধান শতভাগ কর্তনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে।
এতে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, পাউবো উপজেলা উপ—সহকারী প্রকৌশলী মো. রেজাউল কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিসবাহ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আশরাফুজ্জামান, বেহেলী ইউপি চেয়ারম্যান সুব্রত সামন্ত সরকার, জামালগঞ্জ উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান মো. রজব আলী, জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার। এছাড়া সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক অঞ্জন পুরকায়স্থ, বিশ্বজিত রায়, দিল আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন।


