‘সামনে নির্বাচন তাই সরকার চালের দাম বাড়তে দেবে না’

স্টাফ রিপোর্টার
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। খাদ্য নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। সামনে নির্বাচন তাই সরকার চালের দামও বাড়তে দেবে না। হাওরের কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্যে দিতে ও দামের ব্যালেন্স করতেই ২৮ এপ্রিল অর্থাৎ ১৫ বৈশাখ থেকে সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হয়েছে। কৃষকদের হয়রানি ছাড়াই ধান কেনার জন্য সংশ্লিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ধান দিতে এসে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী কর্তৃক একজন কৃষকের অসম্মান হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কৃষক যেন সম্মানের সাথে সরকারি খাদ্য গোদামে ধান বিক্রি করতে পারেন। ‘
আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাত টায় সুনামগঞ্জে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি । জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ —৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ—১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমানারা খানুম, সিলেটের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাইনুদ্দিন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখ্ত, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, শাল্লা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন চৌধুরী, জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান তানভীর আল আশরাফি চৌধুরী বাবু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম, পিপি ড. খায়রুল কবির রুমেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হায়দার চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুর রহমান সিরাজ, জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হেকিম, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কর, জেলা ভোক্তা অধিকার ফোরামের সভাপতি আব্দুল আউয়াল, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি পঙ্কজ কান্তি দে, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি বিন্দু তালুকদার, সাংবাদিক মাহতাব উদ্দিন, কুলেন্দু শেখর দাস দাস, হিমাদ্রি শেখর ভদ্র, শহীদ নুর প্রমুখ।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে থাকা কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তারা কৃষকের ধানে কি পরিমাণ মহেশ্চার আছে বাড়ি গিয়ে যাচাই করে তাদেরকে খাদ্য গোদামে পাঠাতে পারেন, তাহলে কৃষকরা হয়রানিতে পড়বেন না। তিনি মিল মালিকদের মানবতার মনোভাব নিয়ে ব্যবসা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গোদামজাত করে বাজার অস্থিতিশীল কোন মানবিক মানুষের কাজ হতে পারে না।