স্টাফ রিপোর্টার
শহরতলির গৌরারং অচিন্তপুর মৌজায় এসএ ২০০৯ দাগ নম্বরে ০.১৩২০ শতক জায়গার উপর স্থানীয় ছয় ব্যক্তিকে কেন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে না, এর কারণ জানতে চেয়েছেন আদালত। একই ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের জাহানুর আলম চৌধুরীর অভিযোগে মঙ্গলবার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক এই আদেশ দেন। আদালত বিরোধকৃত ভূমিতে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
কারণ জানতে চাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, লালপুর গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে ফুল মিয়া, রাজারগাঁও গ্রামের আব্দুল্লাহ’র ছেলে মিনারুল হক, অচিন্তপুর গ্রামের জমির হোসেনের ছেলে শহিদ মিয়া, কালিপুর গ্রামের মাইন উদ্দিনের ছেলে তাহাজ্জাদ আলী, মুহাম্মদপুর গ্রামের সাজিদুর রহমান পীরের ছেলে মিজানুর রহমান ও রাধানগর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে শাহজাহান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহানুর আলম চৌধুরীর আইনজীবী মুহাম্মদ শামস্উদদীন।
আদেশপত্রে বলা হয়, এই ছয় জন বাদী জাহানুর আলম চৌধুরীর জায়গায় শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে বাধা সৃষ্টি, জায়গা বেদখল করা, দোকানকোঠা নির্মাণ করা, ভূমির আকৃতি- প্রকৃতি পরিবর্তন করতে চেষ্টা করেছিলেন। সেজন্য কেনো তাদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে না কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ায় ১০ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে কারণ উল্লেখ করতে হবে এই ছয়জনকে।
আইনজীবী মুহাম্মদ শামস্উদদীন বললেন, এই ছয় জন বাদী জাহানুর আলম চৌধুরীর জায়গা দখলের চেষ্টা করছিলেন। পরে তিনি আদালতের স্মরণাপন্ন হলে আদালত এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এই ছয় ব্যক্তিকে কেনো তাদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়েছেন। তাদেরকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে উত্তর দিতে হবে।
লালপুর গ্রামের ফুল মিয়া (সাবেক চেয়ারম্যান) বললেন, ওখানে আমার দুই ছেলের নামে চার শতক জায়গা কেনা। বাদী জাহানুর আলমও তিন শতক জমি বিক্রি করেছেন। মাঠপর্চাসহ সবকিছুই আছে। অন্যরাও কিনে মালিক। হয়রানি করার জন্য বাদীপক্ষ এই মামলা দায়ের করেছেন।


