অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার
অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক বন্ধে আবারও সোমবার থেকে সারাদেশে অভিযান শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে পৌর শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এসময় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করেছেন সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স নিতে ও নবায়ন করতে বলা হয়েছে।
অভিযানের শুরুতে পৌর শহরের কাজির পয়েন্টে জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সুরমা ক্লিনিক, ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উকিল পাড়া পাইওনিয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ কেয়ার ডিজিটাল ল্যাব, পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় হিলিং ল্যাব , হিউম্যান ল্যাব সহ ১৩ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেন সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন।
জানা যায়, সম্প্রতি দেশের সব বেসরকারি অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাডব্যাংক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিশ্চিত করতে গত সোমবার থেকে সারা দেশে অভিযান শুরু হয়েছে। যা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এর আগেও গত ২৬ মে একই ধরনের অভিযান চালায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। সেই সময়ে সংশোধনের জন্য তিন মাস সময় দেয়া হয়েছিল অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে। সেসময় স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে জেলার ১৮ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।
সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন বললেন, এর আগেও পরিদর্শন করে সতর্ক করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালকের লাইসেন্স নিতে ও নবায়ন করতে বলা হয়েছে। এখনও যাদের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা লাইসেন্স করেননি, প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে শহরে ১৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেছি, আরও ৬ টি বাকি রয়েছে। সেগুলোও পরিদর্শন করবো। উপজেলাগুলোতেও পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে সেগুলোর রিপোর্ট এখনও আসেনি।