স্টাফ রিপোর্টার
জামালগঞ্জের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী শিশু রুজি হুইল চেয়ার পেলো। রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ প্রতিবন্ধি সেবা সহায়তা কেন্দ্র তাকে এই হুইল চেয়ার প্রদান করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজ সেবা অফিসের উপপরিচালক সুচিত্রা রায়, জেলা প্রতিবন্ধি সেবা ও সহায়তা কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তানজিল হক ও প্রতিবন্ধী ফাইজা আক্তার রুজির বাবা শওকত মিয়া।
এসময় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রুজির স্বপ্ন সে বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবে। এজন্য শত কষ্ট হলেও প্রতিদিন প্যাক কাঁদা মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যায় সে। তবে রুজির চলার পথ সহজ করে দিতে পারে কৃত্রিম পা বা (আর্টিফিশিয়ালি লিম)। এজন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। তবে সে সামার্থ্য নেই বাবা শওকত মিয়ার। এজন্য দাতা সংস্থা ও হৃদয়বান ব্যক্তিরা রুজির পাশে দাড়াবে এমনটি প্রত্যাশা সকলের।
রুজির বাবা শওকত মিয়া বললেন, মেয়ে যেনো হাটতে পারে সেজন্য সরকার চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করবে সেটাই চাই আমরা।
জেলা প্রতিবন্ধি সেবা ও সহায়তা কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তানজিল হক বলেন, ফাইজা আক্তার রুজিকে নিয়ে সংবাদ প্রচারের পর আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে একটি হুইল চেয়ার প্রদান করেছি। আমরা তাকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবো।
তিনি জানান, কৃত্রিম পা দিয়ে তার হাটার গতি আরও বাড়ানো যায় কি না সেটি তারা ভাবছেন। তবে সেটি অনেক ব্যয়বহুল ব্যাপার। সেক্ষেত্রে হৃদয়বানদের সহায়তা প্রয়োজন।
জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সুচিত্রা রায় বললেন, রুজিকে দ্রুতই প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় আনা হবে। এজন্য উপজেলা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।
জামালগঞ্জের প্রত্যন্ত পল্লীর তৃতীয় শ্রেণির পড়–য়া অদম্য শিশু রুজিকে নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়।


