সোহানুর রহমান সোহান
পবিত্র রমজান উপলক্ষে জমজমাট ইফতার বাজার। রোজাদারদের মন তুষ্ট করতে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ইফতারের নানান অনুসঙ্গ। পোলাও, খিচুড়ি, আখনী, ছোলা, পেঁয়াজি সহ অর্ধশতাধিক খাবার আইটেম নিয়ে বসেছে ইফতারের দোকান। ইফতারসামগ্রী কিনতে বিকেল থেকেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও বিক্রেতারা বলছেন, এখনো আশানুরূপ বিক্রি হয়নি। রমজানের প্রথম দিন শুক্রবার হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ নিজ নিজ বাসায় ইফতারি তৈরি করে নিয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।
শনিবার শহরের পুরাতন বাসস্টেশন, আলফাত স্কয়ার, পৌর বিপনি, কাজীর পয়েন্ট সহ বিভিন্ন স্থানে ইফতারের পসরা দেখা গেছে। রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেছে সড়কের অস্থায়ী দোকানগুলোও। অভিজাত রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে ফুটপাতে বসা ইফতারের দোকানগুলোতেও রয়েছে নানা রকমের আয়োজন। প্রায় প্রত্যেক অভিজাত রেস্টুরেন্টেই পণ্যের সাথে মূল্য তালিকাও রাখা হয়েছে।
ইফতারসামগ্রীর মধ্যে প্রতি কেজি গরুর মাংসের আখনী ৩৪০ টাকা, মুরগির ৩০০ টাকা, ভূনা খিচুড়ি ১৫০ টাকা, ছোলা ২৪০ টাকা , পেঁয়াজি ২৫০ টাকা, ছোট জিলাপি ২৪০ টাকা, বড় জিলাপি ২০০ টাকা কেজি এবং আকারভেদে বিভিন্ন জাতের মাংসের কাবাব ২০—৫০ টাকা, নানান শাক ও সবজির পেঁয়াজি ১০—২০, বেগুনি ৫—১০, আলু ও ডিম চপ ৫—৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও রোজা রেখে ইফতারিতে খাবারের জন্য রমজানের অন্যান্য বিভিন্ন অনুসঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।

ট্রাফিক পয়েন্টের হক রেস্টুরেন্টে ইফতার সামগ্রী ক্রয় করতে আসা মনির মিয়া বললেন, চাহিদামতো খাবার পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। যা খুশী তাই কেনা যাবে। তবে এবার খাবার মূল্যের ঝাঁজ অনেক বেশি।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন রকমারি ইফতার তৈরি করা হয়ে থাকে। এবছর জিনিসপত্রের দাম বেশি। এটাও ক্রেতা কম থাকার একটি অন্যতম কারণ।
পানসি রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জুয়েল আহমেদ বলেন, চাহিদা মতো খাবার থাকলে কেনার জন্য ক্রেতা কম। শুক্রবার বন্ধ থাকায় মানুষ কম ছিল। শনিবারেও একই অবস্থা।


