আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
ঈদের ছুটিতে দর্শণার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে দোয়ারাবাজার উপজেলার অন্যতম পর্যটন এলাকা বাঁশতলা-হকনগর শহিদ স্মৃতিসৌধ এবং উপজেলা সদরের জেলার একমাত্র শিশু পার্ক। ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন বিকাল থেকে এখানে বাড়তে থাকে নারী-শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষ আনাগোনা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পর্যটকদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। বাঁশতলা-হকনগর শহিদ স্মৃতিসৌধ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের উপত্যকা। ঈদকে কেন্দ্র করে ভারতের মেঘালয়-খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে দিনভর চলে হৈ-হুল্লোড়। চারদিকে আনন্দ বিনোদনে মেতে উঠেছেন সব বয়সের মানুষ। ছবি তোলা আর সেলফিবাজিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আগন্তুক পর্যটকরা।
এবারও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও দেশের নানা প্রান্ত থেকে এই এলাকায় ঘুরতে এসেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিকসহ নানা পেশার মানুষজন। দীর্ঘ কর্ম ক্লান্তির অবসান ঘটিয়ে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে প্রতিবছর ঈদ ও ছুটির দিনগুলোতে এখানে ছুটে আসেন সহ¯্রাধিক পর্যটক। তবে পর্যটন এলাকায় রেস্টুরেন্ট স্বল্পতা, বিশ্রামের ভালো আবাসন সুবিধা না থাকা, ছাতক উপজেলার নোয়ারাই থেকে বালিউড়া সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।
অপরদিকে উপজেলা সদরে সদ্য প্রতিষ্ঠিত শিশু পার্কটি শিশুদের চিত্তবিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শিশুরা মাটির তৈরি বক, বাঘ, সিংহ, হরিণ, জেব্রাসহ নানা প্রজাতির পশুপাখি প্রতিকৃতি দেখে মুগ্ধ হচ্ছে। দর্শনার্থীরা প্রিয়জনদের সঙ্গে তুলেছেন ছবিও।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমেদ বলেন, পশ্চাৎপদ উপজেলা দোয়ারাবাজারে যোগদানের পর থেকে আমার একটা স্বপ্ন জাগে এখানে বিনোদনের জন্য একটি শিশু পার্ক করার। স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় উপজেলা সদরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শিশু পার্ক।


