সালেহ আহমদ, বিশ্বম্ভরপুর
দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে সুবিধা বঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বসবাস করে। তাদের মধ্যে মা, নবজাতক ও শিশু মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে বেশি। এ প্রেক্ষিতে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এবং সেবাকেন্দ্র থেকে ২৪ ঘণ্টাই স্বাভাবিক প্রসবসেবা দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রকে মডেল কেন্দ্র হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়ন মডেল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বিনামূল্যে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির ক্ষেত্রে সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জানা যায়, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকার নিয়মিত সেবা কেন্দ্রে অবস্থান, মানবিক ব্যবহার, জনপ্রতিনিধি ও সাধারন জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি সেবা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত এখানে বিনামূল্যে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি সেবা নিয়েছেন ১৮২জন। আগে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল শতকরা ৪ থেকে ৫ শতাংশ, যা বর্তমানে শূন্যের কোঠায়।
উপকারভোগী উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী কুলসুমা বেগম ও সিরাজপুর গ্রামের মনির হোসেনের স্ত্রী সুরুফা বেগম বলেন, বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে ডেলিভারিতে উপকৃত হয়েছি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হুসনা হেনা আপা যত্ন সহকারে ডেলিভারি করিয়েছেন।
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হাসনারা আক্তার হেনা বলেন, আমি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বলেন, আন্তরিকভাবে সেবা প্রদানের জন্য পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হাসনারা আক্তার হেনা সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় নিয়মিত আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।


