স্টাফ রিপোর্টার
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রণয়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার সুরমা ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওইদিন বিকালে সদর উপজেলার হালুয়ারঘাট এলাকায় সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এবং সকালে চৌমুহনী বাজারে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে পৃথক পৃথক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুছ ছত্তার ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুকসেদ আলী। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুল কাদির শিহাব ও নিগার সুলতানা কেয়া।
উন্নয়ন সভায় স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সকল ইউপি সদস্য, প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের এলাকার অবহেলিত রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, নলকূপ সংকট নিরসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন ।
এসময় সুরমা ইউপি সদস্য আবুল কালাম, আব্দুর রহমান, আব্দুল আজিজ, ময়না মিয়া, আব্দুল হাই, আব্দুল মন্নান, ইউনুস মিয়া, হাফছা বেগম, স্বাধীনা আক্তার এবং সাংবাদিক আকরাম উদ্দিনসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ তাঁদের এলাকার অবহেলিত রাস্তা-ঘাট, নলকূপ সংকট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
সকালে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সভায় ইউপি সদস্য আব্দুল মোতাল্লিব, বাচ্চু মিয়া, ইসমাইল হোসেন, ইছব আলী, আবুল মালেক, আলী আকবর, সাদিয়া বেগম, আনোয়ারা বেগম, শিক্ষক নুরুল ইসলাম, দ্বীপ নারায়ন দাস, মোহাম্মদ আলী, জুয়েল আহমদ, ইকবাল হোসেন, সমাজসেবক আবুল হায়াতসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দরা তাঁদের স্বস্ব এলাকার অবহেলিত রাস্তা-ঘাট, নলকূপ সংকট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে নানা সমস্যার কথা সভায় তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন বলেন, ‘দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলেছে। আমরা তৃণমুল পর্যায়ে ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এলাকায় অবহেলিত রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, ব্রীজ-কার্লভার্ট নির্মাণ, কৃষি জমির উৎপাদন বৃদ্ধিতে সেচ সুবিধা প্রদান, আদিবাসীদের জীবনমানের উন্নয়ন, নিরাপদ পানির নলকূপ সংকট নিরসন, শিক্ষার প্রসার ঘটানো, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নমুলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু হলে এই এলাকার যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। সবজি বাইরের জেলায় পাঠানো যাবে। উৎপাদিত আর সবজি নষ্ট হবে না।’


