ছাতকে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

তপন জ্যোতি তপু, জাউয়া
ছাতকে একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষর জাল করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট মিথ্যা অভিযোগ দাখিলের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের কেওয়ালীপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাসিমের পুত্র আলফাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগে গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র লিল মিয়া, ইউপি মহিলা সদস্য স্বরুপা বেগমসহ ১২জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
কেওয়ালীপাড়া গ্রামের লিল মিয়া জানান, আলফাজ উদ্দিন উদেশ্য প্রণোদিত হয়ে মিথ্যা কাল্পনিক নাটক সাজিয়ে গ্রামের বহু লোকের স্বাক্ষর জাল করে তার বিরুদ্ধে রাস্তা কাটা এবং ভেড়া দিয়ে গ্রামের রাস্তা বন্ধের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয় উপজেলা   নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট।
লিল মিয়া অভিযোগ করে আরও বলেন,‘ অভিযোগে যে রাস্তার কথা বলা হয়েছে তা তার বসতবাড়ি থেকে বহু দূরে। সেখানে তার দ্বারা রাস্তা কাটা বা বন্ধের কোন প্রশ্নই আসে না। তদন্তে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাবে না বলে লিল মিয়া বিষয়টি সঠিক তদন্তের জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট দাখিলকৃত অভিযোগে স্বাক্ষী হিসেবে যাদের নাম রয়েছে সরজমিনে তাদের সাথে কথা হলে কেওয়ালীপাড়া গ্রামের মোরব্বি আব্দুল মন্নান বলেন, ‘অভিযোগে আমার স্বাক্ষর রয়েছে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু জানি না। আমি স্বাক্ষর দিতে জানি না অথচ অভিযোগে আমার স্বাক্ষর রয়েছে, এই স্বাক্ষর জাল।’
গিয়াস উদ্দিন বলেন,‘ আমি নাম লেখতে পারি নায়, দরকার অইলে ঠিপ-সই দেই। অভিযোগে দেওয়া স্বাক্ষর আমার না। রাস্তা দিয়া আমরা চলরাম। কোন বেড়া নাই।’
তছদ্দর আলী বলেন, ‘আমার স্বাক্ষর জাল কইরা দিছে। এইডা মিছা দস্তখত। রাস্তা কেউ কোন বেড়া দিছে না,চলতে কোন সমস্যা নাই। ’ ফিরুজ আলী বলেন,‘ লেখতাম পারি নায়। স্বাক্ষর দিমু কিলা। অতা মিছা নাম লেখিলাইছে।
এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, এ বিষয়ে আলফাজ উদ্দিন বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান লিল মিয়া।