স্টাফ রিপোর্টার
শহরের বনানীপাড়ার আলোচিত আয়শা খানম ডলি হত্যা মামলার তৃতীয় চার্জসিট দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ (সিআইডি)। সিলেট সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সুনামগঞ্জ সদর জোনে এই চার্জসিট দাখিল করেন।
আদালতে দাখিল করা সর্বশেষ চার্জসিটে আয়শা খানম ডলির স্বামী এমদাদুল হক, ষোলঘরের আ. নূরের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও কুমিল্লার তিতাস থানার কাপাসকান্দি
গ্রামের মৃত কাদির চেয়ারম্যানের ছেলে আমির হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। সদর থানায় আয়শা খানম ডলির স্বামী এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামী আব্দুস সালাম, রেজাউল, হোসেন আহমদ রাসেল, সুনু মিয়া ও অন্য আসামী আব্দুল বাছেদ তাহিন, জুনেদ আহমদ, খোকন মিয়া, তোতা মিয়া, মাহতাব উদ্দিন জগলুল এবং জাহিদ আলীকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করেছে সিআইডি।
সদর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,‘এমদাদুল হক নামের একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এসেছে। আমরা আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর গভীর রাতে শহরের বনানীপাড়ায় নিজ বাসায় দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন এমদাদুল হকের স্ত্রী আয়শা খানম ডলি। এ ঘটনায় পরদিন আব্দুস সালাম, রেজাউল, হোসেন আহমদ রাসেল, সুনু মিয়াকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাসুর আব্দুল অদুদ। ইতোপূর্বে এই মামলা আরো দুইটি চার্জসিট দাখিল করে সিআইসি পুলিশ।


