উত্যক্তের জেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার ইনাতনগর গ্রামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী মঙ্গলবার দুপুরে আত্মহত্যা করেছে। কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা বলেছেন,‘মেয়েটিকে উত্যক্ত করতো এক বখাটে। মঙ্গলবারও বিদ্যালয় থেকে ফেরার সময় তাকে উত্যক্ত করে ঐ ছেলেটি। এক পর্যায়ে বাড়িতে এসে সে আত্মহত্যা করে।’ ঘটনার পর অভিযুক্ত কলাইয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে জিয়াউর রহমানকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। জিয়াউর রহমান অবশ্য বলেছে,          ‘ঐ তরুণির সঙ্গে গত ১৫ দিন ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে’।
নিহত কিশোরী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ইনাতনগর গ্রামের বাসিন্দা, বড়ঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার একুশে ফেব্রয়ারির অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরে সে আত্মহত্যা করে।
কিশোরীর ভাই আলামিন বলেন,‘আমার বোনকে একটি ছেলে উত্যক্ত করতো বলে শুনেছি। মঙ্গলবারও তাকে পথে  উত্যক্ত করে ঐ ছেলে। পরে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম বলেন,‘শুনেছি নিহত মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ছেলেটির। আজ মঙ্গলবার তারা দুজনে কথা বলে দেখা সাক্ষাৎ করে। এক পর্যায়ে মেয়েটিকে কয়েকজন ফিরিয়ে নেয়। মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে তাদের বসতঘরের একটি কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। ছেলেটিকে পরে পুলিশে দেওয়া হয়।’
অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান বলেন,‘আমার সঙ্গে ঐ মেয়েটির গত ১৫ দিন হয় মোবাইলে যোগাযোগ হচ্ছে। আজকে আমাকে যাওয়ার জন্য ফোনে বলে সে। যাবার পর আসার পথে আমাকে এবং মেয়েটিকে ৩ ছেলে মারধর করে। পরে মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়, আমাকে পুলিশের কাছে তুলে দেয়।’
সদর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী মুঠোফোনে জানান,‘এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনার পর সদর উপজেলার কলাইয়া গ্রামের এক তরুণকে আটক করে এলাকাবাসী পুলিশে দিয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। এই বিষয়ে সত্যতা জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’