স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জে ইতোমধ্যে অনেক লেখক ব্যক্তিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে বিভিন্ন বই রচনা করেছেন। তাতে সুনামগঞ্জের সার্বিক বিষয় উঠে আসেনি। তাই সুনামগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি সাধারণ ইতিহাস রচনা করতে হবে। যাতে স্থান পাবে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তথ্য উপাত্ত, মুক্তিযোদ্ধাদের নাম-ঠিকানা ও তাদের অবদান।’
তিনি আরো বলেন,‘ সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সরকারি ওয়েব পোর্টালে সুনামগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, ছবি, স্মৃতিফলক, মুক্তিযুদ্ধের রচিত বই স্থান দেয়া হবে এবং প্রকাশ করা হবে। জেলার সকল ইউনিয়ন পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ পাঠাঘার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি ফলক রয়েছে। যা সংরক্ষণের মাধ্যমে পর্যটন এলাকায় পরিণত করতে জেলা প্রশাসন থেকে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
লেখক সুখেন্দু সেনের মুক্তিযুদ্ধের শরণার্থী নিয়ে লেখা শরণার্থী ৭১ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
খেলাঘর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে শুক্রবার রাতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে শরণার্থী ৭১ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচণ ও গ্রন্থালোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
খেলাঘর জেলা শাখার সভাপতি বিজন সেন রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এনাম আহমদের সঞ্চালনায় গ্রন্থালোচনায় বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ধুর্জটি কুমার বসু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে, হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক অ্যাড. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. শহীদুজ্জামান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান ও আবু সুফিয়ান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সালেহ আহমদ, কবি ইকবাল কাগজী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাড. হায়দার চৌধুরী লিটন প্রমুখ।
শরনার্থী-৭১ গ্রন্থের উপর প্রকাশিত সমালোচনা পাঠ করে শুনান কবি কুমার সৌরভ। গ্রন্থালোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের লেখক সুখেন্দু সেন। গ্রন্থালোচনার আগে শরনার্থী-৭১ এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলামসহ উপস্থিত সকল অতিথিগণ।
- নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই স্কুল ভবনে ত্রুটি-মন্দিরে পাঠদান
- উপ-নির্বাচনের ৩ মাসের মাথায়ই আবার ভোটের হাওয়া


