স্টাফ রিপোর্টার
আজ বুধবার চৈত্র সংক্রান্তি। শেষ দিন চৈত্র মাসের। বাংলা ১৪২২ সালের শেষ দিন। শেষ দিন ঋতুরাজ বসন্তেরও। আজ সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অবসান ঘটবে বিদায়ী বছরের সমস্ত চাওয়া পাওয়া, হতাশা ও অপ্রাপ্তির। বসন্তকে বিদায় জানিয়ে আগামীকাল আসবে নতুন বছর।
নতুন সম্ভাবনায় বাঙালিরা মেতে উঠবে বর্ষবরণ উৎসবে মেতে উঠবে সকলে।
চৈত্র সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বসে লোকউৎসব। বাংলা মাসের শেষ দিনটিকে ঘিরে লোকাচার অনুসারে নানা ক্রিয়াকর্ম করে থাকে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা চৈত্রসংক্রান্তি নানান পুজো অর্চনার মধ্য দিয়ে পালন করে থাকেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় আয়োজিত হয় চড়ক পুজোর। কিন্তু শহরাঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তির চিরন্তন আবেদন বলতে গেলে তেমন নেই, গান-বাজনার কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া। আয়োজন গ্রামগঞ্জেই হয় বেশি। মেলা, গান-বাজনা, যাত্রাপালাসহ নানা আয়োজনে উঠে আসে লোকজ সংস্কৃতির নানা দিক। বাংলা বছরের শেষ দিনটিতে আজ দেশের নানা জায়গায় চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও নানা পর্ব মনে করিয়ে দেবে নতুন বছর দোরগোড়ায়। সাদর আমন্ত্রণে শুভ চিন্তা ও শুভবোধের উদ্বোধনে হৃদয়সিক্ত প্রাপ্তির ডালিতে নতুনের অভিষেকের দিন পহেলা বৈশাখ। শুভ হালখাতা, মেলা, গান-বাজনা, প্রদর্শনীর আয়োজনে বাঙালি উদযাপন করবে নতুন বছরের প্রথম দিনটি।
রাত পোহালেই নববর্ষ বাঙালি জাতির জীবনে কল্যাণ, প্রাপ্তি এবং প্রেরণার স্বপ্ন নিয়ে হাজির হবে। সেই প্রত্যাশায়Ñ‘উড়ে যাক, দূরে যাক বিবর্ণ বিশীর্ণ জীর্ণ পাতা/বিপুল নিশ্বাসে/…..হে নতুন, এসো তুমি সম্পূর্ণ গগন পূর্ণ করি/পুঞ্জ পুঞ্জ রূপে/ছন্দে ছন্দে পদে পদে অঞ্চলের আবর্ত আঘাতে/উড়ে হোক ক্ষয়/ধূলিসম তৃণসম পুরাতন বৎসরের যত/নিষ্ফল সঞ্চয়।’ (বর্ষশেষÑকবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)


