কিছু মানুষের দুর্নীতির কারণে হাওরবাসীর ঘরে আজ হাহাকার -শামছুল আবেদীন

স্টাফ রিপোর্টার
সাবেক সংসদ সদস্য শামছুল আবেদীন বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জের কিছু মানুষের দুর্নীতির কারণে হাওরবাসীর ঘরে আজ হাহাকার। সময় মতো বাঁধ নির্মাণ না করায় এবং বাঁধের টাকা আত্মসাৎ করায় সারা বছর কষ্ট করার পরও কাংক্সিক্ষত ফসল ঘরে তুলতে পারেননি কৃষকরা। তাই ঘরে খাদ্য না থাকায় চলতি বন্যাকালীন সময়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভোট চাইতে আসি নি। ভবিষ্যতেও ভোট চাইতে আসব না। এসেছি আপনাদের দুঃসময়ে সাধ্যমত সাহায্য নিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াবার জন্যে। অতীতে খরচার হাওরে জেলেদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে আপনাদের পাশে ছিলাম এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি আপনাদের পাশে আছি।’
রবিবার সদর উপজেলার গৌড়ারং  ইউনিয়নের নোয়াগাঁও ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পিয়ারি নগরের ৪০০ বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক সংসদ সদস্য শামছুল আবেদীনের সহধর্মিনী কবি ও লেখক নাছরিন আবেদীনের উদ্যোগে ও ইউনির্ভাসেল হেল্থ সার্ভিসেস এন্ড রির্সাচ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মসিহ্ মালিক চৌধুরীসহ দেশি বিদেশী কিছু বিত্তবানদের আর্থিক সহযোগিতায় এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
রবিবার দুপর ২ টায় সদর উপজেলার গৌড়ারং  ইউনিয়নের নোয়াগাঁও       
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী মালেক উস্তারের সভাপতিত্বে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সামছুল আবেদীনের মেয়ে মুনমুন আনোয়ার, ইউনির্ভাসেল হেল্থ সার্ভিসেস এন্ড রিসার্চ এর অফিস কর্মকর্তা শেখ মো. হেলাল, লবজান চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল সত্তার, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম তালুকদার, নোয়াগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য তাহমিনা আক্তার, সমাজকর্মী আব্দুল কাইয়ূম, জামাল উদ্দিন, আব্বাস উদ্দিন পাবেল প্রমুখ।
নোয়াগাঁও গ্রামের ৩০০ পরিবারের প্রত্যেকটিকে ১টি শাড়ি, ১ লুঙ্গি, ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল,১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ১কেজি পেঁয়াজ, ৩ কেজি আলু বিতরণ করা হয়। এর আগে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নে ১০০টি পরিবারের মধ্যে সম পরিমাণ ত্রানসামগ্রী বিতরণ করায় হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ধনপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হেনু মিয়া চৌধুরী, শ্রী চরণ দাস, বনিক দেবনাথ,আদিবাসি নেতা মিন্টু  প্রমুখ।