ছাতকে উন্মুক্ত জলাশয় না থাকায় বেকার মৎস্যজীবী

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে মৎস্য আহরণের জন্যে উন্মুক্ত জলমহাল না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন একটি মৎস্য সমবায় সমিতির
অর্ধশতাধিক ম্যৎস্যজীবী পরিবার। ফলে এলাকার এসব মৎস্যজীবীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসব পরিবারের ভরণ-পোষণ চালিয়ে যাওয়া অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ছাতক সদর ইউনিয়নে ইজারা নিয়ে মৎস্য আহরণ উপযোগী এলাকায় দু’টি সরকারী জলমহাল থাকলেও এর একটি জলমহাল এলজিইডি’র প্রকল্প তৎকালীন সিবিআরএমপি বর্তমান হিলিপ’র অন্তর্ভূক্ত। সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কড়িরগাঁও গ্রামের মৎস্যজীবীরা সরকারী জলমহাল ইজারা নিয়ে মৎস্য আহরণসহ সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করার উদ্দেশেই ‘কড়িরগাও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি’ গঠন করে। কিন্তু ইজারা পেতে সরকারী জলমহাল নীতিমালায় তীরবর্তী সমিতি গুলোর প্রথম অগ্রাধিকার থাকায় দূরবর্তী ইজারা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। নিজ এলাকায় দু’টি সরকারী জলমহালের মধ্যে হিলিপ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত তারাবিল এর আয়তন প্রায় ২৭ একর। দুধরাবিল নামক অপর জলমহালটির আয়তন প্রায় সাড়ে তিন একর। ইজারা নিলামে অংশ নিয়ে তাদের ভাগ্যে মিলে সাড়ে তিন একরের দুধরাবিল জলমহালটি। যা দিয়ে সমিতিভূক্ত প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের জীবিকা পরিচালনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি সভাপতি সুরেন চন্দ্র দাস জানান, তারাবিল হিলিপ প্রকল্প থেকে বাদ দিয়ে উন্মুক্ত জলাশয় হিসেবে ঘোষণা দিলে এলাকার মৎস্যজীবী পরিবারগুলোর জীবিকা নির্বাহের পথ সহজ হতো। এ জন্যে সমিতির সদস্যরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানান।