স্টাফ রিপোর্টার
শহরতলির সুরমা নদীর ধাড়ারগাঁও-হালুয়ারঘাটে সেতু নির্মাণ করা যায় কী-না? এর সমীক্ষা কার্যক্রম চালাতে আগামী সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদল সুনামগঞ্জে আসবেন। সোমবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত. গত বছরের ১০ অক্টোবর সুনামগঞ্জের ধাড়ারগাঁওয়ের বাসিন্দা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি’র) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক লাখ লাখ মানুষের গমনাগমনের এই পথে সেতু নির্মাণের দাবি বহুদিনের উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে আধাসরকারি পত্র দিয়েছিলেন।
পত্রে উল্লেখ ছিল, ধাড়ারগাঁও-হালুয়ারঘাটে সেতু নির্মাণের দাবি এই অঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের। এই সেতু নির্মিত হলে সুরমার উত্তরপাড়ের সীমান্তহাট ডলুরার পাশে শুল্কবন্দরের যে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সেই বন্দরেরও যাতায়াত সুবিধা বেড়ে যাবে। একই ধরনের আধাসরকারিপত্র স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকেও পাঠিয়ে ছিলেন তিনি।
শেষে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সুনামগঞ্জ শহরতলির সুরমা নদীর ধাড়ারগাঁও-হালুয়ারঘাটে সেতু নির্মাণ করা যায় কী-না, তা সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে পত্র পাঠায়। গত ১৫ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কার্যক্রম ও এডিপি শাখার সিনিয়র সহকারী প্রধান মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এই পত্রের অনুলিপি বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিককেও দেওয়া হয়েছিল।
সুনামগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, এলজিইডির সদর দপ্তর থেকে সোমবার তাকেও জানানো হয়েছে, সুরমা নদীর ধাড়ারগাঁও-হালুয়ারঘাটে সেতু নির্মাণ করা
যায় কী-না, এই বিষয়ে সমীক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য আগামী সপ্তাহে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসবে।’
পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘এলজিইডি সদর দপ্তর থেকে আমাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া হলেও আমার মনে হয়েছে, এর শুরুটাই একটি আনন্দের বার্তা’।
- হাওর পরিদর্শনে আসছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
- ২ মাসের মধ্যেই উদ্বোধন হবে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাওয়ার গ্রীড স্টেশন


