স্টাফ রিপোর্টার
ভিটামি ‘এ’এর অভাব জনিত শিশু মৃত্যুর হার কমানেরার লক্ষ্যে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে সাংবাদিকদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুুপরে শহরের হাছননগর এলাকায় সদর উপজেলা ট্রেনিং সেন্টারে এ ওরিয়েন্টেশন অনৃুষ্ঠিত হয়।
ওরিয়েন্টেশনে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা: আশুতোষ দাশ। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক। ওরিয়েন্টেশন পরিচালনা করেন সিভিল সাজন অফিসের সহকারি মো. ফজলুল করীম।
ওরিয়েন্টশনে জানানো হয় , ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি নীল রংয়ের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই, ইউ) খাওয়ানো হবে। ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রংয়ের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।
জেলার ১১ উপজেলায় পৌরসভা ও ইউপি ওয়ার্ডে ২ হাজার ২ শত ৮টি অস্থায়ী কেন্দ্রে এবং ১১টি স্থায়ী কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এবার ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯০ জন। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ২লাখ আই, ইউ প্রাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৮ শত জন রয়েছে। ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রতিবন্ধী শিশু ৩ হাজার ৯৪০ জন রয়েছে। ৬-১১ মাস বয়সী ৩৮ হাজার ৫৯৮ জন শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু ৪৪৮ জন রয়েছে। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ১ লাখ আই, ইউ প্রাপ্ত ৪২ হাজার ৮ শত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল রয়েছে।
আগামী ২৩ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে। বিকাল ৪টার পর যেকোনো ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্যাম্পেইন পরবর্তী সময় হইতে সারারাত প্রতিটি উপজেলার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্ব স্ব কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সার্বক্ষণিক মোবাইল ও জরুরি বিভাগে মেডিকেল টিম কর্মরত থাকবে। ওইদিন সিভিল সার্জন অফিস এ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মনিটরিং এর জন্য সার্বক্ষণিক একটি কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। বাদ পড়া শিশুদের অনুসন্ধান করে ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভর, দোয়ারাবাজার, দিরাই ও শাল্লায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।


