স্টাফ রিপোর্টার
শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার আবাসিক হোটেল আল হেলাল থেকে নাট্যকর্মী চুমকি বেগমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার বিকালে তার স্বামী মহিম ইসলামকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন নিহত চুমকির মা শাহেদা বেগম। এদিকে নিহত চুমকি বেগমের স্বামী পলাতক মহিম ইসলামের আসল পরিচয় ও ঠিকানা নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
মামলায় পলাতক মহিম ইসলামের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা, তার বাবার নাম ফুল মিয়া। ঘটনার পরপরই পুলিশ মহিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করার চেষ্টা করছে। শুক্রবার তার ঠিকানা শহরের পশ্চিম হাজীপাড়া জানা গেলেও মামলায় পশ্চিম তেঘরিয়া উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি।
পশ্চিম তেঘরিয়া এলাকার সাবেক স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মোসাদ্দেক হোসেন বাচ্ছু বলেন,‘ মহিম ইসলাম নামে এই এলাকায় কোন বাসিন্দা নেই। তার এই ঠিকানা সঠিক নয়। ’
পশ্চিম হাজীপাড়ার একাধিক বাসিন্দা দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে জানিয়েছেন, পশ্চিম হাজী পাড়ায় মহিম ইসলাম নামের কেউ নেই। তারা এই নামের কাউকে চেনেন না।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই সাইদুজ্জামান রিপন বলেন,‘নিহত চুমকি বেগমের মা শাহেদা বেগম বাদী হয়ে শনিবার তার স্বামী মহিম ইসলামকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মহিম পলাতক আছে, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


