স্টাফ রিপোর্টার
পৌষ মাসের মাঝামাঝি থেকে জেঁকে বসেছে শীত। শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় দরিদ্র মানুষের দুর্দশাও বেড়েছে। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে অনেকেই ছুটছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। এসব দোকানে এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে এবার শীতের কাপড়ের দাম অন্যবারের তুলনায় বেশি বলছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, কাপড়ের প্রতিটা বান্ডিল এবার গত বছরের চেয়ে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বেশী, তাই কাপড়ের দামও একটু বেশি।
মঙ্গলবার সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে, মানুষের ভিড় যেন এসে মিশেছে ফুটপাতের শীতের কাপড়ের দোকানগুলোতে। শহরের পুরাতন বাস স্টেশন, আলফাত স্কয়ার ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সামনের ফুটপাতে শীতের পোশাক কেনার ধুম পড়েছে। পোশাকের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে জ্যাকেট, সোয়েটার, হাত মোজা ও কানটুপি ইত্যাদি।
শহরের বড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা নার্গিস আক্তার বলেন, দাম অনেক বেশি। যে কাপড় গত শীতে ১০০-১৫০ টাকা কিনেছি, সেই কাপড় ৩০০-৪০০ টাকা চাইছে দোকানিরা। দাম শুনে চাহিদা মতে কাপড় কিনতে পারছি না।
আফাজ মিয়া বলেন, কয়েকটি দোকানে শীতের কাপড়ের দাম অনেক বেশি দেখে ফুটপাতে আসলাম। এখানেও দেখি দাম বেশি। বাচ্চাদের সোয়েটার ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার নিচে নেই। হাতকাটা জ্যাকেটের দামও বেশি। আর ফুল হাতার জ্যাকেট ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত দাম।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি পড়েছে। এ কারণে খুচরা বাজারেও পোশাকের দাম বেশি।
পৌর মার্কেটের সামনের বিক্রেতা তহুর মিয়া বলেন, যেখান থেকে মাল আসে, সেখানেই দাম বেশি। আমরা তো অল্প লাভে বিক্রি করি। যে বান্ডিল আগে ৮০০০-১০০০০ টাকা ছিল সেটাই এখন ১৬০০০-১৭০০০ টাকা। প্রতিটি বান্ডিল প্রতি ৫০০০-৬০০০ টাকা দাম বেড়েছে। তাই এবছর শীতের কাপড়ে দাম একটু বেশি।
- হাওরে হাঁস পালন/ এমন কর্মকাণ্ডই দারিদ্রতা হটানোর আসল কৌশল
- বন্যায় ভেসে গেছে শীতবস্ত্র/ ছেঁড়া কাঁথাই ভরসা ফাতেমাদের


