Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শেষ, ৩ জঙ্গি নিহত – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শেষ, ৩ জঙ্গি নিহত

সু.খবর ডেস্ক
মৌলভীবাজার শহরের বড়হাটে দুই দিন ধরে চালানো ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শেষ ঘোষণা করে ওই অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার বেলা ১২টার দিকে ওই ‘জঙ্গি আস্তানার’ অভিযান শেষে ঘটনাস্থলে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) প্রধান মনিরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।
তিনি জানান, ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শেষ হয়েছে। ওই জঙ্গি আস্তানায় তিন জঙ্গির মরদেহ রয়েছে। এর মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী।
মনিরুল ইসলাম জানান, সিলেটের আতিয়া মহলে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় তার পাশে যে হামলায় পুলিশ ও র‌্যাব কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত হয়েছেন; ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া এক জঙ্গিও বড়হাটের অভিযানে নিহত হয়েছে।
তিনি বলেন, জঙ্গিদের বারবার আত্মসমর্পণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেয়নি। যখনই সোয়াট ঘটনাস্থলের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তখনই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজার পৌরসভার ভেতরে বড়হাট এলাকার আবুশাহ দাখিল মাদ্রাসার গলিতে দোতলা এই বাড়ি জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এই ‘জঙ্গি আস্তানার’ পাশাপাশি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে নাসিরপুরে আরেকটি বাড়িও ঘিরে রাখা হয়।
পরে বুধবার ভোরে নাসিরপুরের ওই অভিযান শেষে সাতজনের নিহত হওয়ার কথা জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। নাসিরপুরে অভিযান শেষে শুক্রবার সকালে বড়হাটে ওই ডুপ্লেক্স বাড়িটিতে ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শুরু হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বৈরী আবহাওয়ায় ওই অভিযান বন্ধ ঘোষণা করা হলেও এর কিছুক্ষণ পর বিস্ফোরণের শব্দের পর গুলির শব্দও শোনা যায়।
পরে শনিবার সকাল ৮টার দিকে স্থগিত করা সোয়াটের ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ আবার শুরু হয়। সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) প্রধান মনিরুল ইসলাম।
এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুলির শব্দ পাওয়া যায়। শনিবার অভিযান শুরুর আগে সাংবাদিকসহ সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়।
মহাসড়কের আধা কিলোমিটারের মধ্যে বড়হাট আবুশাহ দাখিল মাদ্রসা গলির ওই ডুপ্লেক্স বাড়ি ঘিরে সকাল সোয়া ৯টার দিকে সোয়াট, পুলিশ, র‌্যাবকে প্রস্তুত থাকতে দেখা যায়। সেখানে দমকল বাহিনীর পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সও রাখা হয়।
শুক্রবার অভিযান চলাকালে পুলিশের এক সদস্য আহত হন। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, জঙ্গি আস্তানার ভিতরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটলে ‘স্প্রিন্টারের’ আঘাতে ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়। তবে পরে তারা জানায়, জানালার কাচ ভেঙ্গে তিনি আঘাত পেয়েছেন, তবে তা গুরুতর নয়।
অভিযান শুরুর প্রথম দিন শুক্রবার মনিরুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ‘ভেতরে প্রচুর বিস্ফোরক রয়েছে। অভিযানে সোয়াটের পাশাপাশি বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের নেওয়া হচ্ছে। অভিযান শেষ হতে বিলম্ব হতে পারে। পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল।’