আকরাম উদ্দিন
অসহায় ও অন্ধ শিরু মিয়ার (৭০) পাশে দাঁড়ালেন দোয়ারাবাজার উপজেলা কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দরা। শিরু মিয়ার বাড়ি দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত অন্ধত্ব রোগে ভুগছেন। শিরু মিয়ার দুই চোখ অন্ধ। সাংসারিক কাজকর্ম করতে পারেন না তিনি। স্ত্রী নেই। আছে পরিবারে বিধবা ১ মেয়ে ও ছোট্ট দুই নাতি-নাতনি। ৪ জনের সংসার নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন
তিনি। প্রতি নিয়ত মানুষের সহায়তায় চলতে হয় তাঁর।
রবিবার এই অন্ধ শিরু মিয়ার (৭০) পাশে দাঁড়ান দোয়ারাবাজার উপজেলা কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। তাঁরা শিরু মিয়ার চোখের চিকিৎসা করাবেন। এই আশ্বাসে কেঁদে ফেলেন তিনি। শিরু মিয়া চান নিজে উপার্জন করে সংসার চালাতে। তাঁর অন্ধত্বের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আর্থিক সহায়তা নিয়ে জীবন যাপন করে আসছেন। শিরু মিয়া বলেন, ‘আমার চোখ ভাল হলে, আমি চোখে দেখতে পারবো এই সুন্দর পৃথিবী, মেয়ে ও নাতি-নাতনীদের। রুজি রোজগার করতে পারবো। যাঁরা আমাকে সহায়তা করছেন তাঁদেরকে। চোখ ভরে দেখতে পারবো সকল হৃদয়বান মানুষকে। আমি সকল মানুষের জন্য মনে-প্রাণে দোয়া করি। আল্লাহ যেন তাঁদেরকে সুখি ও সমৃদ্ধ জীবন দান করেন।
দোয়ারাবাজার উপজেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা অন্ধ শিরু মিয়ার দুর্বিষহ জীবন জীবিকার খবর পেয়ে এগিয়ে যাই তাঁর পাশে। তাঁর দুই চোখ অন্ধ। তাই দেখতে পান না তিনি। আমরা চিন্তা করে দেখলাম শিরু মিয়ার চোখ যদি অপারেশন করে ভাল হয়, তখন তিনি নিজেই সাংসারিক কাজকর্ম ও ইবাদত-বন্দেগি করতে পারবেন। নিজের সংসারকে ঘুচিয়ে রাখতে পারবেন। তাই তাঁর চোখে অপারেশনের ব্যবস্থা করি। আজ (রবিবার রাতে) শিরু মিয়ার চোখের অপারেশন হবে। সবাই শিরু মিয়ার জন্য দোয়া করবেন।’ এই সময় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
- জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুরে বাসমাশিস’র মানববন্ধন
- জগন্নাথপুরে সেই শিশুটিকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ


