আগুনে পুড়েছে ৩টি গোদাম /৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজারে আগুনে পুড়ে ৩টি গোদাম ভস্মীভূত হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।
শনিবার রাত ১১টায় দোয়ারাবাজারের মধ্যবাজারে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে বাজারের মানুষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দ্রæত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেবানোর চেষ্টা করলেও ৩ টি গোদামঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়।
ভস্মীভূত হওয়া দোকান গুলো হলো- মেসার্স হাসান হার্ডওয়্যার মালিক আসকর আলী, কাকন বস্ত্রালয়, বিসমিল্লাহ গামের্ন্স, মিসবাহ উদ্দিন মিলনের গুদাম ঘর, তৈমুজ আলীর কাচামালের গুদাম, সজল মিয়ার কাচা মালের গুদাম, সুজেল মিয়ার কাচামালের গুদাম, তোয়াজ আলীর পান দোকানের গোদাম, মামুন মিয়ার গোদাম।
মেসার্স হাসান হার্ডওয়্যার এর মালিক আসকর আলী বলেন, আমার গুদামে ছিলো ঢেউটিন, রুং। এছাড়াও নির্মাণ সামগ্রীর বিভিন্ন মাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কাঁচামাল ও ফল ব্যবসায়ি তৈমুছ আলী বলেন, আমি সিলেট থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকার আম ও কাঁচামাল গুদামে ছিল সব মাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই ব্যবসার উপর আমার পরিবার পরিজন নিয়ে চলছি। এখন ব্যবসা করার মত ক্ষমতা আর নাই। যদি সরকারি সহযোগিতা না পাই আমার পরিবার পরিজন নিয়ে চলা কষ্টকর হয়ে পড়বে।
দোয়ারাবাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. আব্দুল হানানন জানান, শনিবার রাতে হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে আমাদের পুরু ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। গত কয়েকদিন যাবৎ অতিরিক্ত গরম ছিল, হঠাৎ বৃষ্টি দেয়ায় প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর বলেন, গতরাতে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আগুনের বড় ক্ষতি থেকে বাজারকে রক্ষা করা হলেও ৫/৭টি দোকান আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আরিফ মুর্শেদ মিশু জানান, আগুনে পুড়ে ব্যবসায়ীদের বেশ ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হয়েছে। দেখা যাক সরকারি ভাবে তাদের জন্য কিছু সহায়তা দেয়ার ব্যাবস্থা করা যায় কিনা।