স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রামে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মামুনুল হক সমর্থকদের হামলা লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় আটক ২২ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইসরাত জাহান এই আদেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে শাল্লা থানায়। দুই মামলায় ৫০ জনের নামোল্লেখ করে ১৫০০ জনকে আসামী করা হয়েছে। একটি মামলার বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত ১৪ থেকে ১৫ শ’ আসামী এবং বিবেকানন্দ মজুমদার বকুলের মামলায় ৫০ জনের নামোল্লেখ করে ১৫ শ’ জনকে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামী দিরাই উপজেলার নাচনি গ্রামের ফারুক মিয়া ও আনোয়ার হোসেনসহ ২২ জনকে আটক করে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় আদালতে সোপর্দ করে।
মামলায় আসামী করা হয়েছে দিরাই থানার সরমঙ্গল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর ও নাচনী এবং শাল্লা থানার হবিবপুর ও কাশিপুরসহ কয়েকটি গ্রামের ১৫০০ জনকে। বিবেকানন্দ মজুমদারের মামলার প্রধান আসামী করা হয়ছে, ঘটনার উস্কানীদাতা নাচনী গ্রামের বাসিন্দা সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য স্বাধীন মিয়াকে।


