দুলাল মিয়া
সুপ্রিয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা শুভেচ্ছা নিও। তোমাদের পরীক্ষা সমাগত। তোমরা জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত করছ। দুনিয়াটাই একটি পরীক্ষাক্ষেত্র। জীবনের প্রতিটি ধাপেই পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। এ সময়টুকু তোমাদের অত্যন্ত আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করতে হবে। পরীক্ষার আগমুহূর্তে দুশ্চিন্তা না করে সময়ের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পরীক্ষায় ভাল করার জন্যে যে সব বিষয়ের প্রতি যতœবান হতে হবে-
* আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। মনে কর, তুমি সবকিছুই পার, সব তোমার মনে আছে। খাতায় লিখতে পারবে। কোনো অবস্থায়ই মনে থাকবে কিনা; লিখতে পারব কিনা এমন হতাশায় ভোগবে না। নিজের ওপর পুরোপরি বিশ্বাস রাখ।
* পরীক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য উত্তরপত্রের ডেকোরেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পৃষ্ঠার ওপরে দেড় ইঞ্চি, নিচে আধা ইঞ্চি, বামে এক ইঞ্চি এবং ডানে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ফাঁক রাখতে হবে। একটি উত্তর শেষে এক থেকে দেড় ইঞ্চি পরিমাণ ফাঁক দিয়ে উত্তর লেখা শুরু করতে হবে। লেখার ক্ষেত্রে কালো কালির কলম ব্যবহার করা ভাল।
* প্রশ্ন পাওয়ার পর এক থেকে দুইবার খুব মনোযোগ দিয়ে সমস্ত প্রশ্নটি পড়ে নিবে। ধারাবাহিক ভাবে প্রশ্নের উত্তর লেখাই ভাল। উত্তর লেখার খাতায় প্রশ্ন নম্বর লেখবে পৃষ্ঠার মাঝামাঝি।
* পরীক্ষা চলাকালীন অবশ্যই ঘড়ি ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার হলে সময় সচেতন থাকা খুবই দরকার। মনে রাখতে হবে ফুলমার্ক আনসার করা খুবই জরুরি। প্রতিটি প্রশ্নের সময় ভাগ করে নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত পাঁচ মিনিট আগে লেখা শেষ করবে।
* রিভিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লেখা শেষ করেই পুরো উত্তরপত্রটি রিভিশন দিবে। এতে অনিচ্ছাকৃত অনেক ত্রুটি সংশোধন করতে পারবে। ফলে কাক্সিক্ষত নম্বর পাওয়াটা নিশ্চিত হবে। মহান আল্লাহ তোমাদের সহায় হোন। নিরন্তর শুভ কামনা।
লেখক: প্রভাষক (বাংলা), নওয়াগাঁও এ.আই আলিম মাদ্রাসা


