আদালত সওজ প্রকৌশলী ও বনবিট কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেবার আদেশ দিলেন

স্টাফ রিপোর্টার
২০০ বৃক্ষের সঙ্গে নিষ্ঠুরতা! শিরোনামে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর’এর গত চার ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবারের সংবাদটি সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম আল মাসুদের নজরে এসেছে। আদালত এই নির্মম ঘটনার সংবাদ পড়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত বনবিট কর্মকর্তা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতিনিধি মারফত আদালতে দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম আল মাসুদ মঙ্গলবার (বিবিধ মামলা নং-০১/২০২০)’এর আদেশে উল্লেখ করেছেন, প্রকাশিত সংবাদের আলোকে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৫ ধারামতে সুনামগঞ্জ জেলার জাস্টিস অব পিস হিসেবে অত্র আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় রাস্তা প্রশস্ত করণের ক্ষেত্রে যত সংখ্যক গাছ কাটা হয়েছে তা অনভিপ্রেত ও পরিবেশ বিপর্যয়কারী কর্মকা-। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সতর্কতা অবলম্বন ও যথাযথ তদারকির ব্যবস্থা থাকা উচিৎ ছিল। এই অবস্থায় প্রকাশিত সংবাদের
আলোকে উক্ত সড়কে প্রশস্তকরণের প্রয়োজনে যে সংখ্যক গাছ কর্তনের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল তার তালিকা এবং উক্ত চিহ্নিত গাছগুলো ছাড়াও সংবাদপত্রে উল্লেখিত অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের দ্বারা কর্তনকৃত গাছের সংখ্যা উল্লেখ করত: প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বনবিট কর্মকর্তা, তাহিরপুর বনবিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সড়ক প্রশস্তকরণার্থে প্রণীত ম্যাপের সত্যায়িত ফটোকপিসহ রাস্তার কার্যাদেশসহ প্রতিবেদন প্রতিনিধি মারফত আদালতে দাখিলের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ বিভাগ, সুনামগঞ্জকে নির্দেশ দেওয়া হলো।
আদেশে আদালত আরও উল্লেখ করেন- এছাড়াও এ সংক্রান্তে পরিবেশ ও হাওড় উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পিযুষ পুরকায়স্থ টিটু কোন বক্তব্য প্রদানে ইচ্ছুক হলে ধার্য তারিখে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
আদালত আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন প্রাপ্তি ও পরবর্তী আদেশ দানের উল্লেখ করেছেন।
এই আদেশের অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করা হয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, সুনামগঞ্জ, বনবিট কর্মকর্তা, তাহিরপুর বনবিভাগ, সুনামগঞ্জ ও পিযুষ পুরকায়স্থ টিটু, সাধারণ সম্পাদক, পরিবেশ ও হাওড় উন্নয়ন সংস্থা, সুনামগঞ্জকে।