স্টাফ রিপোর্টার
দিনে গরম রাতে ঠান্ডা, আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে রোগ-বালাই। ঠান্ডাজনিত কারণে সর্দি, কাশি, জ্বর, এলার্জি ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। তবে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে নিউমোনিয়া রোগে বেশি। বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শতাধিক শিশু রোগী ভর্তি ছিল। এসব শিশুরা বেশির ভাগ নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আর.এম.ও) ডা. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এই মওসুমে শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বেশি ভর্তি হয়। এদের মধ্যে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত থাকে বেশি। ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা সেবা চলছে। অনেক শিশু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছে। শিশুদের ঠান্ডা যাতে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ছোট-বড় সকলকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকতে হবে। করোনা রোগ বিষয়ে তিনি জানান, করোনায় আক্রান্ত এখনও কোনো রোগী হাসপাতালে আসেনি।
দিনে প্রচন্ড গরম ও মধ্য রাতে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় এবং ধুলো-বালির কারণে ঠান্ডাজনিত রোগ সর্দি, কাশি, জ্বর, এলার্জি ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
দোয়ারাবাজার উপজেলার আমবাড়ি এলাকার শাখারগাঁওয়ের কলছুর মাকে নিয়ে এসেছেন অভিভাবক রহিমা বেগম। তার বয়স ১ বছর ২ মাস। তিনি জানান, আমার নাতিনকে নিয়ে এসেছি গত সপ্তাহে। ঠান্ডা লেগেছিল। এখন আল্লাহর রহমতে অনেকটা ভাল।
১ মাস ৫ দিন বয়সের রুশনা আক্তারকে নিয়ে এসেছেন দাদি জহুরা বেগম। বাড়ি কাঠইর ইউনিয়নের কলাইয়া গ্রামে। নাতির ঠান্ডা লেগে কাশি হয়েছে। সপ্তাহখানেক ভর্তি থাকায় চিকিৎসা পেয়ে এখন কিছু কমেছে।
শহরের বিলপাড়ের বাসিন্দা জতিন্দ্র দাস নিয়ে এসেছেন ৭ মাস বয়সের নাতি সুজিত দাসকে নিয়ে। তার কাশি ও জ্বর হয়েছে। ৪ দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখন কিছু সুস্থ হয়েছে।
কর্তব্যরত দুই সেবিকা জানান, শিশু রোগী প্রতিদিন ভর্তি হয় হাসপাতালে। এসব শিশুরা বেশির ভাগ আক্রান্ত হয়েছে নিউমোনিয়া রোগে। এখনও শতাধিক শিশু রোগী ভর্তি আছে ওয়ার্ডে। তাদেরকে সময়মত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


