আবারও বজ্রপাতে ছয় মৃত্যু

দিরাই-শাল্লা প্রতিনিধি
দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় বজ্রপাতে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন ছয়জন।
দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রাম সংলগ্ন আতনি বিলে মাছের কাঁটা-বাশ দিতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ জেলে ও এক শিশু নিহত এবং আরো ৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় জেলেরা ছোট একটি নৌকায় আতনি হাওরে কাটা ফেলতে গেলে বজ্রপাতের ঘটনায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ইউনিয়নের মাটিয়াপুর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে মো. শামীম মিয়া (২৮) এবং একই গ্রামের মো. আব্দুল হাসিমের ছেলে মো. তহুর আলী (২৫)। আহতরা হচ্ছেন একই গ্রামের হাফিজ আলীর ছেলে মো. হামিদ মিয়া, সাঞ্জব আলীর ছেলে রুবেল মিয়া, রহমত আলীর ছেলে মো. ফারুক মিয়া, আব্দুল হেকিমের ছেলে হুসেন মিয়া ও নিয়ামত আলীর ছেলে ছুরত মিয়া। গুরুতর আহত হামিদ মিয়া ও রুবেল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ghদিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে একই ইউনিয়নের টুকচানপুর গ্রামের মাঠে খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে শিশু সামরান হোসেন (১০) গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাল্লায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু
এদিকে শাল্লায় উপজেলায় বজ্রপাতে আরও তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।  
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শাল্লা সদর ইউনিয়নের শ্রীহাইল গ্রাম পার্শবর্তী বেরামনা হাওরে এই তিন জন মারা যান। এরা হলেন, হৃদয় মিয়া (১৮), ইমন মিয়া (২০) ও সাইমুল ইসলাম(১৮)। তারা তিন জনই উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামের বাসিন্দা।  এ সময় মিয়া নামে অপর এক ব্যক্তিকে আশংকাজনক অবস্থায় আজমিরীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শাল্লা থানার ওসি বজলার রহমান জানান, মঙ্গলবার দুপুরে  হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে তিন জন ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে শাল্লা হাসপাতালে নিয়ে আসে।