স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড.মোহাম্মাদ জালাল উদ্দীন বলেছেন,‘পানির ঢলের কারণে হাওরে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগস্ত হয়েছে ধান। আমি ঘুরে দেখলাম অনেক কৃষক রয়েছেন যারা পানির নিচ থেকে ধান তুলে মাড়াই করছেন। কিন্ত এ ধান থেকে কোন চাল পাওয়া সম্ভব নয়। তারা কিছু চাল পাওয়ার আশায় আবেগে সেটি করছেন।’
তিনি বলেন,‘আজকে আমি হাওর ঘুরে মরা মাছ দেখতে পাইনি। মনে হচ্ছে হাওরের পানি ঠিক হয়ে যাচ্ছে। আর মাছ মরার সম্ভবনা নেই।’
এ দুর্যোগ থেকে কি ভাবে মুক্তি পাওয়া যায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাথে গবেষণা করে আগাম জাতের ধান বের করে সেটি চাষ করতে হবে। গবেষণা করে আগাম ধানের জাত বের করা সম্ভব। বাংলাদেশে তো একুশ দিন পানির নিচে থাকতে পারে এমন ধানের জাত রয়েছে।
এ এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকাও রয়েছে।
শনির হাওর, দেখার হাওর ও করচার হাওর পরিদর্শন শেষে বিকেলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার দিন ব্যাপি হাওর পরিদর্শন করে ওই প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে আরোও ছিলেন, বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) ড. মো. আজিজ জিলানী চৌধুরী, বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) সদস্য পরিচালক (প্রাণি সম্পদ) ড.শাহ মো.জিকরুল হক চৌধুরী, পরিচালক (পুষ্টি) ড. মো. মনিরুল ইসলাম। এছাড়াও বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রাণি সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন।


