আলট্রাসনোগ্রাম যন্ত্র আছে, নেই চালক

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আলট্রাসনোগ্রাম যন্ত্র থাকলেও চালক না থাকায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে যন্ত্রটি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই যন্ত্রের সেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলাবাসী।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, ৫০শয্যা বিশিষ্ট জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০১৬ সালে আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন বরাদ্দ পাওয়া যায়। এরপর থেকে রেডিওলোজিস্ট না থাকায় যন্ত্রটি চালু করা হয়নি। গত বছরের জুন মাসে পরীক্ষামূলক মেশিনটি ইনস্টল করা হলেও বর্তমানে রেডিওলোজিস্ট না থাকায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে এর সুফল পাচ্ছেন না উপজেলার লাখো মানুষ। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় মায়ের পেটের সন্তান বৃদ্ধি ও অবস্থান, অনাগত সন্তান কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না সহজেই আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বোঝা যায়। যার জন্য গর্ভবতী মহিলাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় ওই পরীক্ষা করতে হয়। অথচ সরকারিভাবে এ পরীক্ষা করা গেলে খরচ লাগত ১৩০ টাকা। এছাড়াও আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ নির্ণয় করা হয়।
হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা কাউছার মিয়া জানান, আমার স্ত্রীর গর্ভকালীন সময় ছয় বার আলট্রাসনোগ্রাফি করিয়েছি। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একবার আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে এক হাজার টাকা লাগে। যদি হাসপাতালে করা যেতো তাহলে ১৩০ টাকায় করাতে পারতাম।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুধন ধর বলেন, রেডিওলোজিস্ট না থাকায় রোগিদের এ সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। লোকবল সংকট নিয়ে প্রতি মাসে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন পাঠাই।