স্টাফ রিপোর্টার
করোনা মোকাবিলায় সমাজের প্রতিষ্ঠিত শ্রেণী যখন নির্ভার হয়ে ঘরবন্দী তখন সমাজের আরেকটি শ্রেণী যারা পেটের দায়ে সাহায্যের আশায় মহামারী উপেক্ষা করে বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে। দেশ যখন এমন কঠিন সময়ের মুখোমুখি তখন বিভিন্ন সংগঠন এগিয়ে এসেছে। কিন্তু অভিনব এক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি পূজা উদযাপন কমিটি। যারা সাহায্য নয় বরং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের কাছে “বৈশাখী উপহার” নামক উপহারের মাধ্যমে চাল,ডাল,পেয়াজ ও তেল ছাড়াও বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় অসহায় পরিবারদের পাশে দাড়ানোর অঙ্গীকারবদ্ধ এই সংগঠনের সদস্য জনাব সৃজন দেব সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে উপহার বিতরনের সময় বলেন, “ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি পূজা উদযাপন কমিটি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে ঘিরে গড়ে উঠলেও আমাদের মূলমন্ত্র হলো সমাজের প্রয়োজনে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। ইতিপূর্বেও আমরা দেশের বিভিন্ন সংকটে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, তারই ধারাবাহিকতায় করোনা মোকাবিলায় আমাদের এই “বৈশাখী উপহার”কার্যক্রম। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অর্থায়নে আর্থিক বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ঢাকা, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জসহ দেশের অন্তত ১০টি জায়গায় প্রায় কয়েক শতাধিক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এই সংগঠনটি। সংগঠনের আহবায়ক জনাব অভিষেক বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর যুদ্ধ কেবল করোনার বিরুদ্ধে নয় ক্ষুধার বিরুদ্ধেও। প্রতিটি জেলায় সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের তালিকা তৈরী করে “বৈশাখী উপহার” নামক এই উপহার দেয়া হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজের বিত্তবান শ্রেণী যদি এদের পাশে এসে দাড়ায় তাহলে এই মহামারী মোকাবিলা করা সম্ভব।” তিনি সংগঠনের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে সমাজের বিত্তশালী শ্রেণীকে আহবান করেন এই দুঃসময়ে সমাজের পাশে দাঁড়াতে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি


