ঈদের জামাতের সময়সূচি

স্টাফ রিপোর্টার
বছর ঘুরে আবার এলো ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে আগামী সোমবার ঈদের আমেজ ছড়িয়ে পড়বে সবখানে। ঘরে ঘরে বইবে আনন্দের বন্যা। পথে পথে ছড়িয়ে পড়বে খুশির ঝিলিক। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার মনে আনন্দের কোন সীমা থাকবে না। সবাই এক কাতারে ঈদের নামাজে শরিক হবেন। গাইবে সাম্যের গান। নতুন জামাকাপড় পরে  
 সবাই ছুটে যাবে ঈদগাহে। নামাজ শেষে পথে পথে প্রিয়জনদের সঙ্গে সালাম বিনিময় ও কোলাকুলিতে শরিক হবেন। জানাবে ঈদ মোবারক। তাই কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন ঈদ এসেছে দুনিয়াতে শিরনি বেহেশতী, দুষমনে আজ গলায় গলায় পাতালো ভাই দোস্তী, জাকাত দেবো ভোগ-বিলাস, আজ গোস্বা বদমস্তি, প্রাণের তশতরীতে ভরে বিলাব তৌহিদ। চলো ঈদগাহে। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুসারে রমজান শেষে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে ঈদ-উল- ফিতর উৎসব পালন করা হয়। ঈদের চাঁদ স্বচক্ষে দেখে তবেই ঈদের ঘোষণা দেয়া ইসলামী বিধান। পশ্চিম আকাশে এক ফালি চাঁদের হাসিই জানান দেবে আগামীকাল রবিবার অথবা পরশু সোমবার ঈদ।
প্রতিবারের ন্যায় এবারও জেলায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়। ঈদের জামাতের নামাজ পড়াবেন কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাও. মফিজুর রহমান ও হাফেজ মাও. নূর হোসাইন।
এছাড়াও লক্ষণশ্রী (তেঘরিয়া) ঈদগাহে হযরত মাও. নুরুল ইসলাম খাঁন, ষোলঘর ঈদগাহ ময়দানে মাও. গোলাম মওলা ও পুলিশ লাইন ঈদগাহ ময়দানে মাও. নুরুজ্জামান আলমগীর ঈদের নামাজ পড়াবেন সকাল সাড়ে ৮.১৫মি।
এদিকে শহরের হাছননগর ঈদগাহে মাও. আব্দুল বাছিত, বড়পাড়া ঈদগাহে মাও. আব্দুল আওয়াল, আরপিননগর ঈদগাহে মাও. আলী নুর ও হাফেজ মাও. আমির উদ্দিন, ওয়েজখালী ঈদগাহে, মাও. আশরাফ উদ্দিন, মল্লিকপুর ঈদগাহে মাও. তাজ উদ্দিন ও সদর উপজেলা ঈদগাহে মাও. মুজিবুর রহমান ঈদের নামাজ পড়াবেন সকাল সাড়ে ৮টায়।