আলী আহমদ. জগন্নাথপুর
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ একনেকে জগন্নাথপুর উপজেলায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট অনুমোদন দেওয়া জগন্নাথপুরবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান কে অভিনন্দন জানিয়ে পৌর শহরে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কল্যাণ কান্তি রায় সানী বলেন, জগন্নাথপুরবাসী গর্বিত পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নানের মতো একজন উন্নয়নের নায়ক পেয়েছিলাম।
শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন জানান, আমরা সৌভাগ্যবান দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটি একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। তাই পরিকল্পনামন্ত্রী প্রতি আমাদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা। এর সুফল জগন্নাথপুরবাসী ভোগ করবে।
জগন্নাথপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম বলেন, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলাবাসী উন্নয়নে আরেক স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল।
জগন্নাথপুর উপজেলার পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, জগন্নাথপুরবাসীর জন্য এটি অনেক বড় প্রাপ্তি। একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করায় পরিকল্পনামন্ত্রী কে অভিনন্দন জানিয়ে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ একনেক সভায় জগন্নাথপুর ও নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ৩৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাস্তবায়ন একনেকে অনুমোদন লাভ করে। যার কাজ শুরু হয় চলতি বছরের জুলাই মাসে আর ২০২৬ সালের জুন মাসে সমাপ্ত হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
জানা যায়, পাগলা জগন্নাথপুর আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের নারিকেলতলা নামক জায়গায় ১৫ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে ১৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটি বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সহায়তায় চার বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা কোর্সের আওতায় ডিপ্লোমা কৃষিবিদের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ, শিক্ষা ও প্রশাসনিক ভবন ছাত্রাবাস (২০০) ছাত্রী নিবাস (২০০) অধ্যক্ষের জন্য বাসভবন, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জন্য ডরমিটারী, অতিথিশালা, মাল্টিপারপাস হলরুমসহ ২৮টি নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।
চার বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করার জন্য জনবল নিয়োগ, কৃষিতে খামার যান্ত্রিককরণের উদ্যাক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কৃষি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।


