এখনও তথ্য ঘাটতি পিআইসি তালিকায়

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
এখনও তথ্য ঘাটতি রয়েছে ধর্মপাশা উপজেলায় হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) তালিকায়। যদিও নীতিমালা অনুযায়ী গেল বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসব কাজের পিআইসি গঠন প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্যদের কাছে পিআইসির যে তালিকা সরবরাহ করেন তাতে ১৬৯টি প্রকল্পের মধ্যে ২৭টি প্রকল্পের তালিকায় তথ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে মো. ইমরান হোসেনের দাবি আবেদনের সময় আবেদকারীরা মোবাইল ফোন নম্বর না দেওয়ায় এমনটি হয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলার চন্দ্রসোনার থাল, কাইল্যানী, সোনামড়ল, গুরমা, গুরমার বর্ধিতাংশ, গোড়াডুবা, জয়ধনা ও ধানকুনিয়া হাওরে হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজের জন্য ১৬৯টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২ কোটি টাকা। পিআইসির চূড়ান্ত তালিকায় হাওর/প্রকল্পের নাম, প্রকল্প নম্বর, প্রকল্পের সভাপতি ও সদস্য সচিবের নাম ও মোবাইল নম্বর, কাজের বিবররণ, দৈর্ঘ্য (কি.মি), প্রাক্কলিত মূল্য, কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ শুরু ও শেষ করার সময়সীমাসহ অগ্রগতির তথ্য রয়েছে। কিন্তু সরবাহকৃত তালিকায় সোনামড়ল হাওরে ৩টি, চন্দ্রসোনারথাল হাওরে ৭টি, গুরমার হাওরে ১১টি, গুরমার বর্ধিতাংশে ২টি, গোড়াডোবা হাওরে ২টি ও রুইবিল হাওর প্রকল্পের ২টিসহ মোট ২৭টি পিআইসির সভাপতি ও সদস্য সচিবের মোবাইল নম্বর গোপন করা হয়েছে। ফলে ওইসব পিআইসির সভাপতি ও সদস্য সচিবের সাথে কারও কোনো যোগাযোগ বা সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ বিনষ্ট হয়েছে।
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের ধর্মপাশা উপজেলা শাখার সদস্য সচিব চয়ন কান্তি দাস বলেন, ‘তালিকায় নাম রয়েছে কিন্তু মোবাইল নম্বর না থাকা এক ধরনের শুভংকরের ফাঁকি। যেসকল পিআইসির মোবাইল নম্বর নেই তাদের মোবাইল নম্বর সরবরাহ করা উচিত।’
সুনামগঞ্জ পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘চূড়ান্ত তালিকায় কয়েকটা নম্বর নেই। সাবমিট (কৃষকের আবেদন) করার সময় ওই নম্বরগুলো ছিলনা। যে কারণে এগুলো ব্ল্যাংক রয়ে গেছে। নম্বরগুলো কালেক্ট করে সরবরাহ করা হবে।’