ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ- ১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বড় ভাই ও ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে এক নিরীহ নারীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধর্মপাশা প্রেসক্লাবে ওই নারী সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ তুলেন। সংবাদ সম্মেলনে ওই নারীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন করেন তাঁর মেয়ে।
লিখিত বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীর স্বামীর সাথে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের মৃত হাদিস মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়ার বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে আরও পাকাপোক্ত করতে পেছন থেকে ইন্ধন দিতে শুরু করেন এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বড় ভাই মোশারফ হোসেন মাসুদ। এর জেরে গত ২৬ জানুয়ারি ওই নারীর স্বামী বাড়ি সংলগ্ন জমি দেখতে গেলে স্বপন মিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ নিয়ে উভয়েই তর্কে জড়ায়। তখন স্বপন মিয়াসহ মোশারফ হোসেন মাসুদের ছেলে তানবীর হাসান সাগরসহ ১০/১৫ জন লোক ওই নারীর স্বামীকে তাড়া করে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং বাড়ি ঘরে হামলা করে। এ সময় ওই নারীর শ্লীলতাহানী করে স্বপন মিয়া ও তানবীর হাসান সাগর। এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানায় অভিযোগ দিতে গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে ১ ফেব্রুয়ারি ওই নারী বাদী হয়ে স্বপন মিয়া, মোশারফ হোসেন মাসুদ ও তাঁর ছেলে তানভীর হাসান সাগরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্মপাশা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এমপির বড় ভাই মোশারফ হোসেন মাসুদ ওই নারীকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ শুরু করেন। মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকিসহ ওই নারীর পরিবারকে এলাকাছাড়া করার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাই ওই নারীর পরিবার প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ওই নারীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সত্য নয় দাবি করে অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন মাসুদ বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি অন্য জায়গায় ছিলাম। তাদের (ওই নারী) নিজেদের লোকজনের মধ্যেই ঝামেলা চলছে। এতে অযথাই আমাকে জড়িয়ে হেয় করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’
- দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
- দোয়ারাবাজারে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নার উদ্বোধন


