স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বাসভবনে হামলা ও ইটপাটকেল ছুড়ার ঘটনার মামলায় গ্রেফতারকৃত সুনামগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর আবাবিল নূর, শহরের উত্তর আরপিননগরের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে আহসান মিয়া (৪৫), আব্দুল ছহুরের ছেলে বশির মিয়া (৪২), হাবিব আলীর ছেলে মনির মিয়া (৩৮) ও তেঘরিয়ার তহিফুর চৌধুরীর ছেলে মো. বিলাল চৌধুরী (৫০) কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
বুধবার আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর জোন আদালতে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ডের
আবেদন করলে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রবিবার একই আদালতে গ্রেফতারকৃত ওই পাঁচ আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত বুধবার রিমান্ড আবেদনের শুনানী ধার্য করেছিলেন।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিক উজ্জ্বল বলেন,‘মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে গ্রেফতারকৃত পাঁচ আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। ’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিটে শহরের মল্লিকপুর (পুলিশ লাইন্সের বিপরীতে) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বাসভবন ‘পায়েল পিউ’এ হামলার ঘটনা ঘটে। সংসদ সদস্য রতন বাসায় না থাকায় এবং বাসার প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায় বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই সুনামগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক পৌর কাউন্সিলর আবাবিল নূরসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
এমপি রতনের দাবি যুবলীগের নব্য কিছু নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক খায়রুল হুদা চপল। এঘটনায় গত শুক্রবার দুপুরে এমপি রতনের বাসার তত্বাবধায়ক সৈয়দ সুজন বাদী হয়ে ১৪ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১৪-১৫ জন উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন।


