এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ২৮,৩৫৩ জন

স্টাফ রিপোর্টার
আজ রবিবার শুরু হচ্ছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা সূত্রে জানা যায়, এবার সুনামগঞ্জ জেলার ৫৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে ২৮ হাজার ৩৫৩ জন পরীক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৪৮ জন। গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২৮ হাজার ২০৫ জন।
এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২৩ হাজার ২১৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৪ হাজার ৫৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এসএসসি/দাখিল ভোকেশনালে ১ হাজার ৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে।
জেলায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। সাব ভেন্যু রয়েছে ৩৭টি। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাখিল পরীক্ষার্থীরা ১৩টি কেন্দ্রে এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি/দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীরা ৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এবারও সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে হবে পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে আধা ঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে হবে।
অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের পর কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিলে সেই পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি তথ্য একটি রেজিস্ট্রারে লিখে রাখতে হবে। পরীক্ষার দিনই সেসব তথ্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে।
নিয়মানুযায়ী, ট্রেজারি বা থানা থেকে নির্দিষ্ট তারিখের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সব সেট পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হবে। তারপর পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে খুদে বার্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে কোন সেটে সেদিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা (কোড জানানো হয়) জানিয়ে দেওয়া হবে।
কেন্দ্র সচিব ছাড়া আর কেউ মুঠোফোন কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না। কেন্দ্র সচিবও ছবি তোলা যায় না- এমন একটি সাধারণ মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না।