স্টাফ রিপোর্টার
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দালালরা ভাড়া দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। পৌর শহরের ওয়েজখালী বাজারে সুনামগঞ্জ- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন জমিতে দোকানকোঠা তৈরি করে চাঁদা আদায় করছে দখলদার দালালরা।
জানা যায়, পৌর শহরের সুনামগঞ্জ- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমির অবৈধ স্থাপনা সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে উচ্ছেদ করা হয়। বৈধ জমির দোকানীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার কার্যালয় এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জেলা অফিসে পুনরায় জমি দখল করে তাদের দোকানের সম্মুখে যাতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সেজন্য লিখিতভাবে আবেদন জানিয়েছেন। সওজ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের ওয়েজখালী বাজার, মল্লিকপুর, আব্দুজ জহুর সেতুর পার্শ¦বর্তী এলাকা, পশ্চিম হাজীপাড়াস্থ মহাসড়কের পার্শ¦বর্তী জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অসংখ্য স্থাপনা ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ করা হয়। সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিলো। শনিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওয়েজখালী বাজারে উচ্ছেদকৃত জমি পুনরায় দখল করে দোকানপাট গড়ে ওঠেছে। এসব দোকানপাট দখলদাররা দোকানীদের ভাড়া দিয়েছেন। মোটা অংকের টাকা জামানত নিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে এসব দোকানকোঠা।
এছাড়াও শহরের নতুন বাসস্টেশন এলাকা, মল্লিকপুর এলাকায়, পশ্চিম হাজীপাড়া এলাকায় উদ্ধারকৃত জমি আবারও দখল হয়েছে। দখলদাররা একই জমিতে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।
ওয়েজখালী বাজারে চাল ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ বলেন, সামনে দোকানের জন্য ক্রেতারা আমাদের দোকানে আসতে পারে না। চালের গাড়ি আনা যায় না। কিছু বলতে গেলে তারা বলে সরকারি জমিতে আমরা দোকান করছি।
একই এলাকার ব্যবসায়ী আক্তারুল ইসলাম বলেন, আমরা সরকারকে সবকিছুই দিচ্ছি, কিন্তু অবৈধ জমির দখলদাররা কিছুই দেয় না। ট্যাক্স- ভ্যাট সহ সবকিছু দিয়েও আমরা ক্ষতির সন্মুখিন হচ্ছি। আমরা চাই, অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে সরকারি জমি উদ্ধার হোক।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরাও জেনেছি আবারও সড়কের জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আগামী ২৪ তারিখ থেকে আবার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে।


