জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে পাঠ্যক্রম রেকর্ড করে সুনামগঞ্জ জেলার সবকয়টি উপজেলায় কেবল টিভির মাধ্যমে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী ঈদুল আযহার পর এসকল কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। তিনি আরো বলেন, শিশুদের ঝরে পড়া রোধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শিশুদের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গৃহে নিরাপদ পরিবেশে বিনোদনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করাও হচ্ছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), সুনামগঞ্জ’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘করোনাকালীন প্রাথমিক শিক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসবক কথা বলেন।
মঙ্গলবার অনলাইন প্লাটফরমে আয়োজিত এ সভার সভাপতিত্ব করেন সনাক সভাপতি ধূর্জটি কুমার বসু।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ এনামুর রহিম বাবর বলেন, সারাদেশের ন্যায় সুনামগঞ্জেও সংসদ টিভির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাছাড়া শিক্ষকগণ মুঠোফোনের মাধ্যমে নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
সভায় টিআইবি’র সিলেট ক্লাস্টারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজমা খানম নাজু শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে ঝরে না পড়ে এবং অর্থনৈতিক কারণে স্থানচ্যুত হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের চিহ্নিত করে শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত করার উপর গুরুত্ব প্রদান করে বক্তব্য প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি এসএমসিকেও এ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সভায় বক্তারা মহামারীর সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যাওয়া, প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে অর্ন্তভূক্ত করা, বেসরকারী প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলমান রাখা ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সনাক সদস্য অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন সনাক সহ সভাপতি কানিজ সুলতানা, সনাক সদস্য নির্মল কান্তি ভট্টাচার্য এবং গোধারগাঁও স. প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলোরা দে।
টিআইবি’র এসিসট্যান্ট ম্যানেজার গাজী মো. নাজমুস সাকিবের সঞ্চালনায় সভায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সনাক সদস্য মালেকা বেগম এবং অ্যাড. নাজনীন বেগম।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি


