করোনার এই সময়ে সর্দি-কাশি আর গলাব্যথায় যা করবেন

সু.খবর ডেস্ক
করোনাভাইরাসের এই সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। অনেকের অভিযোগ, তারা ঠিকমত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে পৃথক ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের এই সময় দেশে সর্দি-কাশি একটি সাধারণ বিষয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে সর্দি-কাশির প্রাদুর্ভাব থাকে। তাদের ভাষায়, এটি মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা। করোনার মহামারিতে এই সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়েও অনেকে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে হঠাৎ জ্বর, শুষ্ক কাশি, মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া হতে পারে গলা ব্যথা এবং সর্দি। কারও কারও ক্ষেত্রে কফ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে এবং তা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে অধিকাংশ মানুষ কোনো চিকিৎসা ছাড়াই সপ্তাহখানেকের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘করোনাভাইরাস আক্রান্তের লক্ষণেও সর্দি-কাশি রয়েছে। বছরের এই সময়টিকে অনেকেরই মৃদু জ্বর ও সর্দি-কাশি থাকে। কিন্তু করোনার এই সময়ে অনেকেই আগের চেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছেন।’
কারও যদি জ্বর থাকে এবং সামান্য গলা ব্যথা থাকে, তাহলে বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসা নেওয়া ভালো। জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল এবং কুসুম গরম পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই মহাপরিচালক।
এ ছাড়া তিনি জানান, গলা ব্যথা থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল করা যেতে পারে। সর্দি-কাশির জন্য অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে। অবস্থা জটিল না হলে হাসপাতালে আসার কোনো প্রয়োজন নেই বলেও তিনি জানান।
মহাপরিচালক আরও জানান, সরকার হাসপাতালগুলোতে পৃথক আউটডোর ও ইমার্জেন্সি বিভাগ খোলার চেষ্টা করছে। যেখানে সর্দি-কাশির রোগী বা এই ধরনের সমস্যায় যারা আছেন, তারা যেতে পারেন। আর করোনা সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যেসব হাসপাতাল নির্ধারিত রয়েছে, সেসব জায়গায় সন্দেহভাজন রোগীদের পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু ঠেকানোর ৫ উপায়
যে কেউ খুব সামান্য কারণেই ঠান্ডা বা সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই মানুষের সর্দি-জ্বর ভালোও হয়ে যায়। তবে কয়েকটি উপায়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত সময়ে সর্দি-জ্বর ভালো করা সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
সূত্র : আমাদের সময়