জগন্নাথপুর অফিস
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম (৬৩) আর নেই। শনিবার রাত ১১টার দিকে সিলেটের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। তিনি কয়েকদিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিশিষ্ট আইনজীবী শফিকুল আলম জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের অলইতলী কাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মরহুমের শ্যালক অ্যাডভোকেট মির্জা আবু তাহের মোহন। তিনি বলেন, গত রবিবার মরহুমের গ্রামের বাড়ীতে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মরহুমের মৃত্যুতে তাৎক্ষণিকভাবে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন, সহ সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল, বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হোরায়রা ছাদ মাস্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, সহসভাপতি সিরাজুল হক, আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, মুক্তদীর আহমদ মুক্তা, জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, প্রচার সম্পাদক হাজী আব্দুল জব্বার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আব্দুল আহাদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন, সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রিপন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ছালিক আহমদ পীর, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাফরোজ ইসলাম, পৌর যুবলীগ নেতা আকমল হেসেন ভূঁইয়া, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কল্যাণ কান্তি রায় সানী, সাধারণ সম্পাদক শাহ রুহেল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, আইন পেশার পাশাপাশি শফিকুল আলম ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন, তিনি জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিন দায়িত্বপালন করেছিলেন। তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কাজ করেছেন।


