কর্মকর্তাদের নিয়ে হাওরে এমপি রতন

আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
হাওরের ধান দ্রুত কাটতে কৃষকদের জোড় তাগিদ দিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকার শনির হাওর, মাটিয়ান হাওর, মহালিয়া হাওর, হালির হাওর ও গুরমা বর্ধিতাংশ হাওরের ধান সরজমিন পরিদর্শন করেন এবং হাওরপাড়ের কৃষকদের সাথে কথা বলেন।
মহালিয়া হাওরপাড় সুলেমানপুর বাজারে সমবেত কৃষকদের তিনি হাওরের ধান দ্রুত কাটার জন্য তিনি কৃষকদের অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, হাওরের ধান আপনারা দ্রুত কেটে ফেলুন নইলে মারাত্মক ঝুঁকি ও ক্ষতির মুখে পড়বেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল আগাম বন্যার আশঙ্খা রয়েছে। তাই আপনাদের জমির পাকা ধান কিছুতেই হাওরে রাখা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘যাদের ধান কাটার হারভেস্টার মেশিন রয়েছে, ওই মেশিনে যান্ত্রিক গলযোগ দেখা দিলে আপনাদের যেন হয়রানির স্বীকার না হয় সে জন্য আমি রাজশাহী থেকে একজন ইঞ্জিনিয়ার এনে আমার বাড়িতে রেখেছি। সমস্য হলে আপনারা যোগাযোগ করবেন’।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তর পূর্বঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. নিজামুল হক ভূইয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খুশী মোহন সরকার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান,থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অনুপম রায়, শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিত সরকার প্রমুখ।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি বলেন, ‘আপনারা হাওরের পাকা ধান দ্রুত কেটে ফেলেন। ধান কাটার শ্রমিক সমস্যা হলে আপনারা আমাকে বলেন, দেশের বাইরের জেলা উপজেলা থেকে শ্রমিক যোগার করে আপনাদের এনে দেব।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হাওরের ধান কাটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কৃষকদের পাশে থাকতে হবে। যেখানে ধান কাটার শ্রমিকের দরকার সেখানে আমরা শ্রমিক যোগার করে দেব। যেখানে ধান কাটার মেশিনের দরকার আমরা সেখানে ধান কাটার মেশিনের ব্যবস্থা করে দেব। যে কোন মূল্যে কৃষকের সোনার ফসল কৃষকের গোলায় তুলতে হবে’।