Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
কাতারের হাওয়া – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

কাতারের হাওয়া

এনাম আহমদ
(পূর্ব প্রকাশের পর)
কাতারে নামলাম অনেক রাত। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া হলো বিষ্ময়কর ভাবে দ্রুত। কোন কাগজ দেখলো না। পাসপোর্টে সিল মারা এক প্রকার আনুষ্ঠানিকতা, সে জন্য সিল মারলো নিতান্ত অবহেলায়! পাসপোর্ট না দিয়ে ভুলক্রমে ছোট কোন ডায়েরি দিয়ে দিলে তাতেই সিল মেরে দিত! অসংখ্য ইমিগ্রেশন কাউন্টার। তবুও কর্তাদের কোন ফুরসত নেই। প্রতি মিনিটে নামছে একটি বিমান। আমাদের সঙ্গে ইমিগ্রেশনে এলো ইংল্যান্ড, মেক্সিকো ও ফ্রান্সের একটি বিশাল বাহিনী! তারা সবাই নিজ নিজ দেশের জার্সি পরে। লাগেজও বেল্টে চলে এলো দ্রুত। এয়ারপোর্ট থেকে কোন গোলযোগ ছাড়া এতো দ্রুত কথনো বের হইনি। নিজেই চমকে গেলাম! চমক ভাঙ্গালেন একজন কাস্টমস কর্মকর্তা। লাগেজ সহ আমাকে ধবে নিয়ে আটকে ফেললেন। মনে মনে বললাম, তাই তো হওয়ার কথা। নির্বিঘ্নে চলে গেলে আমি লিখবো কী? খবর সম্পাদক আমাকে এতো টাকা খবচ করে পাঠালেন! গিয়ে দেখলাম, শুধু আমি না, ফ্রন্সের কয়েকজনকেও আটকিয়েছে তাদের লাগেজসহ। আমার লাগেজ স্কেন করে কর্মকর্তা লাফিয়ে উঠলেন, বাংলাদেশ থেকে এসেছি জানতে পেরে তিনি নিশ্চিত হলেন যে আমার কাছে কিছু না কিছু আছে! আমাকে লাগেজ খোলার কথা বলে ফ্রান্সের দিকে চলে গেলেন। এদিকে ফ্রান্সে সমর্থকেরা মারাত্মক হম্বিতম্বি করতে থাকলো। এদিকে আমি লাগেজ খোলে তো বসে আছি তো বসে আছি। শেষে অন্য একজন কর্তাকে গিয়ে ধরলাম। তিনি বললেন, আমি তো তোমাকে আটক করিনি! তোমার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে যাও। ধর্যে্যর বাঁধ ভেঙে গেলো, তা—ই গেলাম এবং তাকে নিয়ে এলাম। তিনি আমার ব্যাগ নাড়াচাড়া করে একটি বই বের করে জানতে চাইলেন এটিতে কী বিষয়ে লিখা? এবার আমি আকাশ খেকে পড়লাম! যদিও কিছুক্ষণ আগে নেমেছিলাম! ব্যাখ্যা—বিশ্লেষন করে মুক্তি পেয়ে এয়ারপোর্টের বাইরে এলাম। এয়ারপোর্টে নামার সঙ্গে সঙ্গে অটো ওয়াই ফাই পেয়ে অ্যাড. পংকজের ভাতিজা তাপসের সঙ্গে যোগাযোগ করি ম্যাজেঞ্জারে। দুর্বল নেটওয়ার্কে কল হয় না। পাল্টা ম্যাসেইজ এ জানালো আশেপাশে আছে সে। কিন্তু যুদ্ধ করে বের হয়ে আশেপাশে হাজারো মানুষ দেখে বাঙালি টেক্সী ড্রাইভারের সহায়তায় চলে গেলাম দোলার ছোট মামার বাসায়। উনি আমাকে এই পরামর্শই দিয়েছিলেন। শেষ মামার বাসায় ডিনার করতে করতেই তাপসের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। সে এসে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। আজ আর্জেন্টিনার খেলা! সকাল থেকেই মাঠ সংলগ্ন ফ্যান ফেন্টিবুলের জায়ান্ট ক্রিনে খেলা দেখবো। বলতে গেলে আজকে থেকে বিশ্বকাপ শুরু! ব্রাজিল—আর্জেন্টনার সমর্থকদের কাতার কতৃর্পক্ষও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এই দুটি দেশের টেন্ট দেখলাম শহরের বিভিন্ন জায়গায়। আর থাকবে না—ই বা কেন! অন্তত শতাধিক দেশ থেকে প্রায় লক্ষাধিক সমর্থক এসেছে এই দুই দেশের। আজকে এ পর্যন্তই। এখনিই চলে যেতে হচ্ছে লুসাইল স্টেডিয়ামে। আজকে সবার গন্তব্য একই জায়গায়! (চলবে)
লেখক : আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট