কাদা পানি জমে দুর্ভোগ পথচারীদের

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ পৌরসভার আব্দুজ জহুর সেতুর নিচে মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়কের কিছু অংশে কর্দমাক্ত হয়ে থাকে সবসময়। সড়কের এই অংশে সব সময় পানি জমে থাকায় চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। একারণে বিপাকে পড়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পথচারি ও এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই এলাকায় ২টি শিশু বিদ্যাপীঠ রয়েছে। একটি মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আরেকটি সুনামগঞ্জ আইডিয়াল একাডেমি। এই দুই বিদ্যালয়ের মাঝেই সেতুর নিচের কিছু জায়গায় সব সময় পানি লেগে থাকে। এজন্য পেক, কাদার পাশপাশি দুর্গন্ধ ছড়ায় এলাকাজুড়ে। এই দুর্ভোগে বিপাকে পড়েছেন এ দুই বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছেন, ভোগান্তি নিরসনের জন্য পৌরসভাকে জানানো হয়েছে।
তেঘরিয়ার বাসিন্দা হিরু মিয়া। ফেরি করে শাকসবজি বিক্রি করেন। তিনি বলেন, মল্লিকপুরে প্রায় প্রতিদিনই সবজি বিক্রি করতে আসি। ব্রিজের একপাশে বিক্রি করা গেলেও আরেক পাশে গেলে পড়তে হয় বিপাকে। দুই স্কুলের মাঝ অংশে সেতুর নিচে সব সময় ময়লা পানি জমে থাকে। এতে চলাচল করতে অসুবিধা হয়।
সুনামগঞ্জ আইডিয়াল একাডেমির ভাইস প্রিন্সিপাল নির্মল বৈদ্য বললেন, আমাদের বিদ্যালয়ের পেছনে ভোজন রেস্টুরেন্ট রয়েছে। রেস্টুরেন্টের ময়লাযুক্ত সব পানি সেতুর নিচে চলে আসে। এই অংশে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় সমস্যা থাকায় জমে থাকা পানি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাফেরা করতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কানন রায় বললেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থায় সমস্যা থাকায় সব সময় পানি জমে থাকে। এতে করে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারদিকে। স্কুলের শিক্ষার্থীদের চলাচল করতেও সমস্যা হয়। নিজেরা কয়েক বার ড্রেন পরিষ্কার করে দিয়েছি। কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
ড্রেনেজ ব্যবস্থায় কোনো সমস্যা নেই উল্লেখ করে সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আহমদ নুর বললেন, ড্রেনে কোনো সমস্যা নেই। সড়কের এই অংশ ভেঙে নিচু হয়ে গেছে। এজন্য সব সময় পানি জমে থাকে। দুই বছর আগেও এরকম হয়েছিলো। তখন সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অবহিত করার পর ঠিক করে দেওয়া হয়েছিল। এখন আবারও ভেঙে গর্ত হয়ে গেছে। এজন্য পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজ। তাদেরকে সড়কের এই অংশ মেরামত করতে হবে।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বললেন, আমি নতুন এসেছি, খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।