জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর পৌরশহরে আবদুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনা সালিশী বৈঠকে নিস্পতি হয়েছে। বুধবার বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সালিশী বৈঠকে হামলাকারীরা নিজেদের অপরাধ
স্বীকার করে কান ধরে উঠ বস করে এবং লিখিত মুছলেকা দেয় যে আর কোন দিন এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করবে না। এসময় অপরাধীদের নিকট থেকে জনপ্রতি ৫শত টাকা করে জরিমানা আদায় করা হয়।
সালিশী বৈঠকে নিস্পত্তির খবর’র সত্যতা নিশ্চিত করে আবদুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিশ্বজিৎ দাস বলেন, এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতি বিদ্যালয়ে হামলার অপরাধী ও তাদের অভিভাবকরা মুচলেখা দিয়েছেন ভবিষ্যৎ আর কোন দিন এধরনের কার্যকলাপ করবেনা।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর-অর-রশিদ জানান, শুনেছি বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনা সালিশী বৈঠকে নিস্পতি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ওই বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে পৌর এলাকার পারুয়া বাড়ির বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের বখাটে পুত্র তারেক মিয়া ওরফে বাবর স্কুলে আসা যাওয়ার পথে উত্যক্ত করে আসছিল। সোমবার বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে বখাটে তারেক মেয়েটির পথরোধ করে ওড়না ধরে টানা হেচড়া করে। এ সময় মেয়ের চাচাতো ভাই ও বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র হবিবনগর এলাকার আবদুল জব্বারের পুত্র আনহার মিয়া প্রতিবাদ করেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটে বাবরের এর নেতত্বে ৭/৮ বখাটে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় আহত হন বিদ্যালয়ের আয়াসহ ৫ জন শিক্ষার্থী ।
ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।


